ব্যস্ততার যুগে রূপচর্চা করার সময় হাতে নেই! মাঝে মাঝে সালোঁয় গিয়ে ফেশিয়াল, ক্লিনআপ বা স্পা করালেও অনেকের পায়ের দিকে তেমন গুরুত্ব দেন না। পেডিকিয়োর করলেও তা হয় ন’মাসে ছ’মাসে এক বার। অনেকের পায়েই কড়া পড়ে, সেই কড়া থেকে নিস্তার পেতে ফুট ক্রিম ব্যবহার করেন কেউ কেউ। তাতে কিন্তু সমস্যা কমে না, বরং বাড়়ে, এমনই মত চিকিৎসকদের।
বাজারে সে যব ফুট ক্রিম পাওয়া যায়, সেগুলির বেশির ভাগেই থাকে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড কিন্তু দীর্ঘ দিন একই স্থানে ব্যবহার করতে করতে চামড়া পুড়ে যেতে পারে। তাই কড়ার সমস্যায় ফুট ক্রিম না লাগানোই ভাল।
কড়া কেন পড়ে— এর উত্তর পেতে গেলে যে মূল বিষয়গুলি উঠে আসে, সে সব হল:
১) এক নাগাড়ে পা ঝুলিয়ে বসা।
২) নানা মাপের ও নানা ডিজাইনের জুতো ব্যবহার করা।
৩) হিলের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি।
৪) অসমান পথে হাঁটাহাঁটি ও পায়ে চাপ পড়ে, এমন কাজ করে চলা।
আরও পড়ুন:
তাই কড়ার সমস্যা দূর করতে হলে পায়ের উপর যেন বেশি জোর না পড়ে, সে দিকে বেশি নজর রাখতে হবে। এর পাশাপাশি জুতো বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সচেতন হোন। এই দুই পদ্ধতিতেই কিন্তু কড়া কমবে। এর পাশাপাশি...
গরম জলে পা ডোবানো: প্রতি দিন বাড়ি ফিরে ভাল করে পা ধোওয়ার পর অন্তত দশ মিনিট গরম জলে পা ডোবান। এতে কড়া পড়লে সেই জায়গাটা নরম হয়ে যাবে। এ বার পা শুকনো করে মুছে কড়ার এলাকায় আঙুলের হালকা চাপ দিয়ে ঘষুন। এমন করলে দিন কয়েকের মধ্যেই ঘষার সময় কড়ার জায়গার মৃত ত্বক উঠে আসবে সহজে। এর পর লাগান ফুট ক্রিম। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই ক্রিম বাছুন।
পা জল থেকে দূরে রাখা: খুব বেশি ক্ষণ জোলো জায়গায় ঘোরাফেরা করবেন না। জল লাগলেও তা ভাল করে মুছে ফেলুন। পা যত কম আর্দ্র থাকবে, ততই কড়ার পক্ষে ভাল। তবে ভিজে জুতো-মোজা পরা যাবে না একেবারেই।
পেডিকিয়োর: পার্লারে গিয়ে পেডিকিয়োর করানোর সুঅভ্যাস ও সময় দুই-ই থাকলে তো মিটেই গেল। পেডিকিয়োরে পায়ের নিয়মিত যত্ন হয় বলে কড়া পড়তে পারে না। পার্লারে যাওয়ার সময় না পেলে অন্তত বাড়িতেই কিছুটা যত্ন নিন পায়ের।