কুমার শানুর প্রাক্তন স্ত্রী বেশ কিছু বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন গায়কের বিরুদ্ধে। তার পরেই আইনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শানু। গায়কের পক্ষেই রায় দিয়েছে আদালত। সম্প্রতি উদিত নারায়ণের বিরুদ্ধেও তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী মুখ খুলেছেন। দাবি করেছেন, চিকিৎসার নামে ষড়যন্ত্র করে তাঁর অজ্ঞাতে জরায়ু অপসারণ করানো হয়েছিল। এই অভিযোগে তোলপাড় বলিউড। তবে উদিত এখনও নীরব। তিনিও কি শানুর পথে হাঁটবেন? প্রশ্ন তাঁর অনুরাগীদের।
গত বছর মঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালীন এক অনুরাগিণীর ঠোঁটে চুম্বন করেছিলেন উদিত। তা নিয়েও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন গায়ক। আর এ বার প্রাক্তন স্ত্রীর মন্তব্যের জন্য আলোচনায় তিনি।
আরও পড়ুন:
কুমার শানুর প্রাক্তন স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্য দাবি করেছিলেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাঁর উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। এমনকি, খেতে পর্যন্ত নাকি দেওয়া হয়নি তাঁকে। এই মন্তব্যে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে দাবি করেন শানু। স্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন তিনি এবং ৫০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। রায় ঘোষিত হয় তাঁর পক্ষেই। অনুরাগীদের অনুমান, উদিতও তাঁর প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা নারায়ণের বিরুদ্ধে একই পথেই হাঁটবেন।
রঞ্জনা তাঁর অভিযোগে লেখেন, ১৯৮৪ সালের ৭ ডিসেম্বর হিন্দুমতে উদিত তাঁকে বিয়ে করেন। ১৯৮৫ সালে উদিত তাঁকে রেখে মুম্বই চলে আসেন। তাঁকে না জানিয়েই নাকি সেখানে দ্বিতীয় বিয়ে করেন উদিত। এর আগেও উদিতের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছিলেন রঞ্জনা। পরে সব মিটিয়ে দুই স্ত্রীর সঙ্গেই সুসম্পর্ক রেখে চলতেন গায়ক। তবে এ বার তাঁর জরায়ু অপসারণের অভিযোগে স্তব্ধ উদিতের অনুরাগীরা। সত্যিই কি এমন করেছিলেন গায়ক? প্রশ্ন তুলেছেন সকলে। কেন নীরব উদিত? সেই প্রশ্নও তুলছেন তাঁরা। সমাজমাধ্যমেও কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি গায়ক। দিন কয়েক আগে উদিত-পুত্র আদিত্য নারায়ণ একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। ছবিতে তাঁর সঙ্গে তাঁর মা-বাবা অর্থাৎ দীপা ও উদিত ছিলেন।