অনেকেই কালচে ঠোঁটের সমস্যায় ভোগেন। সিগারেট না খেলেও এই সমস্যা হতে পারে। মুখ, হাত, গলা, ঘাড়, পায়ের পাতার মতো ঠোঁটেও রোদ লেগে ট্যান পড়ে। ফাটা ঠোঁট, শুষ্ক ঠোঁট কিংবা অনুজ্জ্বল ঠোঁটে সাধারণ লিপ বাম মাখলে কাজ চলে যায়। কিন্তু যাঁদের ঠোঁটে কালচে দাগছোপ রয়েছে, তাঁদের জন্য এই প্রসাধনীটি যথেষ্ট নয়। ত্বকের চিকিৎসকেরা বলছেন, ত্বকের অন্যান্য অংশের চেয়ে স্পর্শকাতর হল ঠোঁট। শরীরে জলের অভাব ঘটলে, তা ঠোঁট দেখলে সহজেই বোঝা যায়। সূর্যের অতিবেগনি রশ্মির হাত থেকে ঠোঁটকে রক্ষা করতে ঠোঁটেও মাখতে হবে সানস্ক্রিন।
অনেকেই ঠোঁটকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ত্বকে লাগানোর সানস্ক্রিন ঠোঁটে মেখে নেন। তবে এই কাজ কি আদৌ করা উচিত? ত্বক চিকিৎসকদের মতে, এমন ভুল না করাই ভাল। ত্বকে যে সানস্ক্রিন মাখা হয়, তা মুখে গেলে সমস্যা হতে পারে। বডি লোশন যেমন মুখে ব্যবহার করা যায় না, মুখের আলাদা ক্রিম মাখতে হয়, ঠিক তেমনই মুখের সানস্ক্রিনও ঠোঁটের জন্য নয়। এ ক্ষেত্রে সান প্রোটেকশন ফর্মুলায় (এসপিএফ) সমৃদ্ধ লিপ বামই ভরসা। সব লিপবামে কিন্তু এসপিএফ থাকে না। তাই কেনার আগে সতর্ক থাকুন যে, তাতে এসপিএফ রয়েছে কি না।
তবে, তা এক বার মেখে নিলেই হবে না। ঘণ্টাদুয়েক পর পর ব্যবহার করতে হবে। তবেই, কালচে দাগছোপ দূর হয়ে ঠোঁটের লালচে, গোলাপি রং ফিরে আসবে। নানা ধরনের সুগন্ধি দেওয়া ‘এসপিএফ’-যুক্ত লিপ বাম বাজারে পাওয়া যায়। ‘সেবামেড’, ‘নিভিয়া’, ‘নিউট্রোজেনা’, ‘হিমালয়া’, ‘ডট অ্যান্ড কি’, ‘মিনিমালিস্ট’-এর মতো সংস্থার লিপ বাম কিনতে পারেন। দাম ২০০ টাকা থেকে শুরু। আবার, ‘বডিশপ’, ‘ববি ব্রাউন’, ‘ক্লিনিক’, ‘লিনিয়েজ’-এর মতো নামী সংস্থার জিনিস কিনতে হলে ১০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত বাজেট রাখতে হবে।