Advertisement
E-Paper

মুখময় ব্রণ শুধু বিরক্তিকর নয় কষ্টকরও, ঘরোয়া পন্থায় কী ভাবে সেই যন্ত্রণা লাঘব হবে?

অনেকেরই ব্রণ হয় বড় বড়, তা থেকে পুঁজও বেরোয়। এই ধরনের ব্রণ সারাতে ঘরোয়া উপায়ে কী করতে পারেন?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩৫
সিস্টিক অ্যাকনের কষ্ট কমবে কী ভাবে?

সিস্টিক অ্যাকনের কষ্ট কমবে কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত।

ব্রণ, তবে দেখতে খানিক ফোঁড়ার মতো। ব্যথা হয়, জমে থাকে পুঁজও। এমনই ব্রণ হয়েছে গাল জুড়ে? একেই বলা হয় সিস্টিক অ্যাকনে। ত্বকের ছিদ্রগুলি অতিরিক্ত তেল এবং মৃত কোষ জমে বন্ধ হয়ে গেলে এই ধরনের ব্রণ হয়। তা ছাড়া, কখনও কখনও হরমোনের মাত্রা ঠিক না থাকলেও, এমনটা হতে পারে। সমস্যা হল, তা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। খুঁটলে তা থেকে সংক্রণের ভয়ও থাকে, দাগও হয়ে যেতে পারে।

বহু জায়গাতেই গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আর্দ্রতা। ঘাম হলেই ত্বক আরও তেলতেলে হয়ে যায়। তার উপর ধুলো-ময়লার পরত জমলে ব্রণ হওয়া মুখের হাল হয় আরও খারাপ। ব্রণ হলে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হওয়াই ভাল। তবে ঘরোয়া কয়েকটি পন্থাতেও সাময়িক লাভ হতে পারে। কমতে পারে কষ্ট।

সিস্টিক অ্যাকনে কমানোর ঘরোয়া কৌশল

Advertisement

এই ধরনের ব্রণ কিছুটা ফোড়ার মতো দেখায়। ভিতরে জমে থাকে পুঁজ, তার ফলেই ব্যথা হয়। অপরিচ্ছন্ন হাত বার বার মুখে দিলে, তা থেকে সংক্রমণের ভয়ও থাকে। তবে আরাম পেতে সেঁক দেওয়া যেতে পারে। নিমপাতাকে ব্যাক্টেরিয়া নাশক হিসাবে ধরা হয়। আর্য়ুবেদে এর গুণও প্রমাণিত। নিমপাতা ধুয়ে জলে ফুটিয়ে নিন। হালকা গরম জলে তুলো ভিজিয়ে ব্রণে গরম ভাপ দিলে পুঁজ সহজে বেরিয়ে যায়। তা ছাড়া, ব্যথাতেও আরাম মেলে।

টি-ট্রি অয়েল: ঘরোয়া টোটকা হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে টি-ট্রি অয়েল। এটি এক ধরনের এসেনশিয়াল অয়েল, যা ছোটখাটো সংক্রমণ প্রতিরোধে সক্ষম। ব্রণ কমাতে টি-ট্রি অয়েলের ব্যবহারও নতুন নয়। তবে যদি পুঁজ বেরোয়, তখন তা না ব্যবহার করাই ভাল।প্রথমে অল্প পরিসরে লাগিয়ে দেখুন জ্বালা বা সমস্যা হচ্ছে কি না। যদি অসুবিধা হয়, ব্যবহার বন্ধ করে দিন।

বরফ: ব্রণের সমস্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায় ত্বক তেলতেলে হয়ে থাকলে। কারণ, তৈলাক্ত ত্বকের উপরে ধুলো-ময়লার পরত জমলে তা আরও ক্ষতিকর হয় ওঠে। বাইরে বেরোনোর আগে একটি পরিষ্কার সুতির কাপড়ে ২ টুকরো বরফ ভরে, মুখে আলতো করে বুলিয়ে নিন। চাপ দিয়ে ঘষা যাবে না। বরফ-শীতল স্পর্শে ত্বকে আরাম লাগবে। তা ছাড়া, রোদে গেলেও জ্বালা হবে কম।

আর কী কী সতর্কতা জরুরি?

সিস্টিক অ্যাকনে যদি হরমোনের ভারসাম্যের অভাবে হয়, প্রথমেই সেই সমস্যার সমাধান প্রয়োজন। দরকার চিকিৎসার। তা ছাড়া, মুখ সব সময়ে পরিষ্কার রাখা জরুরি। ব্রণ হলে ব্যবহার করা যায়, এমন মৃদু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। ব্যবহার করতে হবে ত্বক-বান্ধব ময়েশ্চারাইজ়ার যা আর্দ্রতা ধরে রাখবে। এ ছাড়া দৈনন্দিন ডায়েটে পর্যাপ্ত জল, ফল, টাটকা সব্জি রাখলেও ত্বক ভাল থাকবে। এড়ানো দরকার চিপ্‌স, বার্গার, পিৎজ়ার মতো জাঙ্ক ফুড।

প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা। সিস্টিক অ্যাকনে সারাতে হলে বেশি পরীক্ষানিরীক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভাল।

Skin Care Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy