Advertisement
E-Paper

লবঙ্গ জলেই উধাও হবে ব্রণ, নিষ্প্রাণ ত্বকে ফিরবে লাবণ্য? এমন টোটকায় ভরসা করা যায় কি?

লবঙ্গ জলেই কমবে ব্রণ, ত্বক হবে টানটান। কালচে মুখে ফিরবে জেল্লা? সমাজমাধ্যমের এমন টোটকা সত্যি কি কাজের?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:০৬
সমাজমাধ্যমে লবঙ্গ জল নিয়ে হইচই। তাতে কি ত্বকের ভাল হয়?

সমাজমাধ্যমে লবঙ্গ জল নিয়ে হইচই। তাতে কি ত্বকের ভাল হয়? ছবি: সংগৃহীত।

ব্রণ হোক বা মেচেতার দাগ— সমাধান আছে হাতের কাছেই। মুঠো ফোন খুললেই, এক ক্লিকে মিলবে একাধিক উপায়। কোনও না কোনও নেটপ্রভাবী ত্বক ভাল রাখার কৌশল বাতলে দেবেন। ঠিক যেমন, ব্রণ কমাতে, ত্বক ভাল রাখতে লবঙ্গ-জলের ভূমিকা নিয়ে চলছে হইচই।

কেউ বলছেন, রাতভর ভিজিয়ে রাখা লবঙ্গ জলই টেনে বার করবে লিভারের যত দূষিত পদার্থ। লিভার ভাল থাকলেই জেল্লা ফিরবে ত্বকে। আবার কেউ বলছেন, জলে এক মুঠো লবঙ্গ ফুটিয়ে, সেই জল ঠান্ডা করতে হবে। সেটি স্প্রে বোতলে ভরে গরমের দিনে মুখে স্প্রে করতে হবে। লবঙ্গ জলের গুণেই উধাও হবে ব্রণ, ত্বকে হবে না ফুস্কুড়ি, র‌্যাশ। কমবে কালচে ছোপ। আভা খেলবে মুখে। কেউ একে বলছেন, ‘গ্লো আপ মিস্ট’, কেউ বলছেন, ‘ন্যাচরাল অ্যাকনে ক্লিয়ার’।

রূপচর্চায় এই উপাদানটি তাঁরা কেন জুড়তে বলছেন, তাও স্পষ্ট করেছেন। লবঙ্গে রয়েছে ‘ইউজেনল’, যা অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল, অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান। লবঙ্গে রয়েছে প্রদাহনাশক গুণও। এই তিন গুণের জন্য লবঙ্গ ব্রণের সমস্যাও কমায়। লবঙ্গের বিভিন্ন গুণ থাকার কারণেই দাঁতের ব্যথা থেকে গলার খুসখুসানি কমাতেও তা ব্যবহার করা হয়।

Advertisement

কিন্তু সত্যি কি লবঙ্গ জলের এত গুণ?

লবঙ্গ জল যে ত্বকের নানাবিধ সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে পারে তার কোনও প্রামাণ্য নথি নেই। এই নিয়ে বিস্তারিত গবেষণাও হয়নি। যেটুকু হয়েছে তা ইউজেনল এবং লবঙ্গ তেল নিয়ে। কিছু কিছু সমীক্ষা-গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে ইউজেনলের অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল এবং প্রদাহনাশক গুণের কথা। তবে ইউজেনলের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ত্বকে জ্বালা ভাবেরও সৃষ্টি করতে পারে।

লবঙ্গের নানাবিধ গুণের কথা অস্বীকার করা চলে না। তবে লবঙ্গ-জল মুখে স্প্রে করলেই কালচে ছোপ উধাও হবে, ব্রণ কমবে তা-ও জোর দিয়ে বলা যায় না। অল্প পরিমাণ লবঙ্গ জলে ফুটিয়ে, সেই জল ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করার পরে মুথে স্প্রে করলে অবশ্যই আরাম মিলবে। লবঙ্গ উপকারী। তাই দিনে এক-দু’বার এমন ভাবে জল স্প্রে করলে ত্বকের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান থাকায় প্রাথমিক ভাবে হয়তো ত্বকের সংক্রমণও ঠেকাতে পারে। তবে ত্বক টানটান হয়ে যাওয়া থেকে জেল্লা ফেরার বিষয়টি কতটা হবে, তা জোর দিয়ে বলে দেওয়া যায় না।

বরং ব্রণের সমস্যা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পৌঁছোলে টোটকার বদলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভাল। এটা-ওটা মাখতে গেলে হিতে বিপরীতও হতে পারে।

Clove Water Acne
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy