বয়স বেড়েছে। বার্ধক্যের ছাপ কিঞ্চিৎ চোখেও পড়ে। তবু ৫১ বছরেও যথেষ্ট সুন্দরী প্রীতি জিন্টা। হাসিমুখে সামলাচ্ছেন সংসার-সন্তান এবং তাঁর আইপিএল ক্রিকেট টিম পঞ্জাব কিংস।
একসময়ে বলিউড অভিনেত্রীর গালে টোল ফেলা হাসির যে জাদু ছিল, বয়স হলেও তা উধাও হয়নি। এখনও তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা কম নয়। ৫০ পার করে কী ভাবে এত চনমনে তিনি, কী ভাবেই বা ধরে রেখেছেন সৌন্দর্য। একাধিক সাক্ষাৎকারে সৌন্দর্য নিয়ে চর্চায় তিনি মা-ঠাকুরমাদের টোটকার কথা মনে করিয়েছিলেন। এবার এক অনুরাগীর প্রশ্নের উত্তরে ত্বক ভাল রাখার পন্থা ভাগ করে নিলেন প্রীতি। জানালেন তিনি নিজে কী ভাবে ত্বকের যত্ন নেন।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাঁর ত্বকচর্চার রুটিন খুব সাধারণ। কোনও রকম বাহারি প্রসাধনীতে তিনি আস্থা রাখেন না। রাসায়নিকের ব্যবহারও এড়িয়ে চলেন। এর আগেও সাক্ষাৎকারে প্রীতি বলেছিলেন, রূপচর্চা নিয়ে তিনি বাড়াবাড়িতে বিশ্বাসী নন। সেই কথারই প্রতিফলন দেখা গিয়েছে আরও একবার। প্রীতি বলেছেন, ‘‘রেটিনল বা কোনও রাসায়নিক সমৃদ্ধ প্রসাধনী নয়, বরং হালকা মেকআপেই আমি স্বচ্ছন্দ।’’ সানস্ক্রিন, ক্লিনজ়িং গুরুত্ব পায় তাঁর ত্বকচর্চায়।পাশাপাশি জানিয়েছেন, ধূমপান, মদ্যপান এবং প্রদাহ সৃষ্টিকারী খাবারই ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তাঁর পরামর্শ, দিনভর পর্যাপ্ত জল খেতে হবে এবং আনন্দ নিয়ে শরীরচর্চা করতে হবে।
তবে ত্বকের যত্ন কোনও এক দিনের বিষয় নয়। ধারাবাহিক ভাবে যত্ন করলেই একসময়ে সৌন্দর্য ধরা দেবে, অনুরাগীকে মনে করিয়েছেন প্রীতি।
রূপচর্চা শিল্পীরাও মনে করান, নানা রকম প্রসাধনী মাখলেই ত্বক ভাল হয় না। বরং ত্বকের জন্য কোনটি সঠিক তা বাছাই করা জরুরি। মেকআপ করলেও তার পরত যত হালকা হবে, ত্বকের পক্ষে শ্বাস নেওয়া সহজ হবে। শুধু ত্বক চর্চা নয়, শরীরচর্চা, সঠিক খাওয়াদাওয়াও সৌন্দর্যের নেপথ্যে থাকে। মনে করাচ্ছেন তাঁরা।