রোমাঞ্চের নেশা আর এক ভয়ঙ্কর ভুলে প্রাণ গেল ২১ বছর বয়সি তরুণীর। সুরক্ষার দড়ি ছাড়াই প্রায় ৪০ মিটার উঁচু সেতু থেকে ঝাঁপ দেন তরুণী। যদিও ভুল তাঁর নয়। বাঞ্জি জাম্পিংয়ে সাহায্যকারী কর্মীরাই তাঁর পিঠে সুরক্ষার দ়ড়ি বাঁধতে ভুলে গিয়েছিলেন। ফলস্বরূপ মৃত্যু হয় তরুণীর। ভয়াল মুহূর্তের সেই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাজ়িলের সাও পাওলোয়। তরুণীর নাম মারিয়া এদুয়ার্দা রদ্রিগেজ় দে ফ্রেইটাস। শনিবার সকালে তিনি ব্রাজ়িলের সাও পাওলোর স্কেলিটন ব্রিজে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেই অঞ্চল নানা রকমের অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের জন্য বিখ্যাত। মারিয়া এক বেসরকারি সংস্থার তত্ত্বাবধানে স্কেলিটন ব্রিজ থেকে বাঞ্জি জাম্প করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বেসরকারি সংস্থার কর্মীরা তাঁর পিঠে সুরক্ষার দড়ি আটকাতে ভুলে যান। প্রায় ৪০ মিটার উচ্চতা থেকে নীচে পড়েন মারিয়া। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয় জনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাঁদের সকলকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ব্রিজের ধারে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তরুণী। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন তিন জন তরুণ। তরুণীর কোমরে পরা হার্নেস এবং মাথায় হেলমেট। আরও নানা সুরক্ষার সরঞ্জাম পরে থাকতে দেখা গিয়েছে সেই তরুণীকে। কিন্তু আসল জিনিস, সুরক্ষার দড়িটিকে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে নীচে। তরুণীর সঙ্গে থাকা তিন তরুণের একজনেরও সেই দড়ির দিকে নজর পড়ল না। দু’জন তরুণ তরুণীকে মাথার উপর তুলে ব্রিজের সঙ্গে লাগানো কাঠের পাটাতনের সামনের দিকে এগিয়ে গেলেন। তার পর সেখান থেকে ছুড়ে ফেলে দিলেন। সেই সময় আশপাশের মানুষদের নজর যায় দড়িতে। তাঁরা চিৎকার করে ওঠেন। সেই তিন তরুণেরও তখন খেয়ালে আসে দড়ির কথা। কিন্তু তখন আর কিছু করার উপায় ছিল না। তরুণী তত ক্ষণে নীচে পড়ে গিয়েছেন। ভয় ধরানো সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘ক্ল্যাশরিপোর্ট’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে ১০ লক্ষেরও বেশি বার ভিডিয়োটি দেখে ফেলা হয়েছে। প্রচুর নেটাগরিক ভিডিয়োটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং মন্তব্য করেছেন। বাঞ্জি জাম্পিংয়ের সাহায্যকারী কর্মীদের গাফিলতির জন্য তরুণীর প্রাণ চলে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না নেটাগরিকেরা। বহু নেটাগরিক জীবনে কখনও বাঞ্জি জাম্পিং না করার প্রতিজ্ঞাও করেছেন মন্তব্যবাক্সে।