পাউরুটি, স্মুদি, নয়তো ডিম সেদ্ধ দিয়েই শুরু হয় সকাল! গরমে লুচি-পরোটা খেতে ইচ্ছা হলেও, তাতে অম্বল হওয়ার ভয় থাকে। জলখাবারে নিয়মিত একঘেয়ে না খেয়ে স্বাদ পাল্টাতে বানিয়ে ফেলুন নারকেল দোসা।
এ দোসা রাস্তাঘাটে বিক্রি হওয়া চেনা মুচমুচে পাতলা দোসা নয়। বরং তা দেখতে সাদা, খানিক স্পঞ্জের মতো। থাকে ছোট ছোট ছিদ্র। নারকেলের চাটনি দিয়ে খাওয়া হয়। প্রাতরাশ থেকে অফিসের টিফিন— গরমের দিনে আদর্শ খাবার হতে পারে এমন দোসা। বানানোও সহজ। স্বাস্থ্যকরও।
উপকরণ
২ কাপ চাল (ইডলির চাল হলে ভাল)
১ টেবিল চামচ মেথি
আরও পড়ুন:
এক কাপ নারকেলকোরা
এক কাপ পাতলা চিঁড়ে
স্বাদমতো নুন
প্রণালী: চাল এবং মেথি ধুয়ে ৫-৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। জল ঝরিয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। মিশ্রণটি যেন মিহি হয়। সেটি একটি বড় পাত্রে ঢেলে রাখুন। মিক্সারে নারকেলকোরা, জলে ধুয়ে নেওয়া চিঁড়ে অল্প জল দিয়ে ঘুরিয়ে নিন। মিশ্রণটি চালের মিশ্রণের মধ্যে ঢেলে ঢাকা দিয়ে ৮-১০ ঘণ্টা ঘরের শুকনো জায়গায় রেখে দিন মজানোর জন্য। মিশ্রণটি ফেঁপে উঠবে।
এতে মিশিয়ে নিন স্বাদমতো নুন।ভাল করে ফেটিয়ে নিন। মিশ্রণটি খুব পাতলা বা বেশি ঘন হবে না। ননস্টিক তাওয়ায় তেল ব্রাশ করে হাতার সাহায্যে মিশ্রণটি ঢেলে গোল করে ছড়িয়ে দিন। এই দোসা খুব পাতলা হবে না। মিশ্রণটি ঠিক হলে দোসার গায়ে ছোট ছোট ছিদ্র তৈরি হবে। নারকেলের দোসা হবে সাদা, নরম রুটির মতো। নারকেলের দোসা নারকেলের চাটনির সঙ্গেই পরিবেশন করা হয়।