Advertisement
E-Paper

পিসিওএস-এ ভুগছেন? দিনভর অফিস সামলে রুটিন বদলানো যাবে না, কী ভাবে হবে সমস্যার সমাধান

১০-১২ ঘণ্টা অফিসের চাপ সামলাতে হলে, নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন কী ভাবে সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। কর্পোরেট সেক্টর-সহ বহু বেসরকারি ক্ষেত্রেই কর্মীদের টানা বসে থেকে কাজ করতে হয়। কী ভাবে দৈনন্দিন রুটিন বজায় রেখে পিসিওএস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২০
দিনভর ব্যস্ততার মধ্যে নিজের খেয়াল রাখার সময় নেই? পিসিওএসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে কী ভাবে?

দিনভর ব্যস্ততার মধ্যে নিজের খেয়াল রাখার সময় নেই? পিসিওএসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বা পিসিওএসের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। এ এক এমন অসুখ, যাতে মহিলাদের শরীরে হরমোনের তারতম্য ঘটে। ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট দেখা যায়। সমস্যা বাড়তে থাকলে তা কিন্তু ক্রমেই বন্ধ্যাত্বের দিকে চলে যেতে পারে। পিসিওএসকে জব্দ করার একমাত্র উপায় সুস্থ ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন। প্রয়োজন হাঁটাহাটি, শরীরচর্চা, মানসিক চাপ মুক্ত থাকা।

কিন্তু ১০-১২ ঘণ্টা অফিসের চাপ সামলাতে হলে, নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন কী ভাবে সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। বর্তমানে কাজের ধরন বদলেছে। কর্পোরেট সেক্টর—হ বহু বেসরকারি ক্ষেত্রেই কর্মীদের টানা বসে থেকে কাজ করতে হয়। কাজের চাপে ঠিকমতো খাওয়াও হয় না। দৈনন্দিন রুটিন, কাজের ধরন বদলাবে না। তবে সুস্থ থাকাও জরুরি। কী ভাবে পিসিওএসের সমস্যা বশে রাখবেন কর্মরতা মহিলারা, সেই ব্যাপারেই তিন পরামর্শ দিলেন মুম্বই নিবাসী পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন।

১) রক্তে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা

পিসিওএস নিয়ন্ত্রণ রাখতে হলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। ডায়াবিটিস না থাকলেও, তা অন্যতম শর্ত। অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে অফিসে একটু সচেতন ভাবে খাবার বাছাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন দীপশিখা। মধ্যাহ্নভোজ বা বিকালে যা-ই খাওয়া হোক না কেন, তাতে যেন ফাইবার, প্রোটিন, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য থাকে। স্ন্যাক্স হিসাবে মাখানা, বাদাম, বীজ খেতে বলছেন পুষ্টিবিদেরা। খাবারে ফাইবার থাকা জরুরি। ফাইবারই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করে।

২) সুবিধা মতো শরীরচর্চা

পিসিওএস থাকলে শরীরচর্চা করতেই হবে। তবে দিনভর খেটেখুটে এসে ঘণ্টাখানেক শরীরচর্চা বাস্তবোচিত লক্ষ্য হতে পারে না। পুষ্টিবিদের পরামর্শ সারা দিনের মধ্যে সুবিধামতো সময়ে ব্যায়াম করা যেতে পারে। ১৫-২০ মিনিট করতে পারলেও হবে। ভাল হয়, ওজন নিয়ে ব্যায়াম করতে পারলে। কম কায়িক শ্রমের শরীরচর্চাও করা যেতে পারে।

মানসিক চাপ

স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ, শরীরচর্চার পরেও হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে দিনের পর দিন মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে। কাজ, ডেডলাইন-সহ নানা বিষয়ের সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই জু়ড়ে যায় মানসিক চাপ, যা কর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোন বৃদ্ধির কারণ। এই একটি হরমোন, অন্যান্য হরমোনের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। অনেক সময় প্রাণায়াম, যোগাসন করলেও মন শান্ত রাখা যায়।

Health Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy