শুষ্ক ত্বকের সমস্যা অনেকেরই আছে। সে ক্ষেত্রে চামড়া ফেটে যাওয়া বা র্যাশের সমস্যা খুব ভোগায়। আবার তৈলাক্ত ত্বক হলে সমস্যা আরও বেশি। নকের দু'পাশে, গালে থুতনিতে ব্রণ ভরে যায়। কেবল মরসুম বদল, ধুলো বা দূষণের কারণেই নয়, অনেক সময় হরমোনের ওঠানামা, মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়মের কারণেও ব্রণর সমস্যা বাড়ে। আর ব্রণ বা ফুস্কুড়ির দাগ সহজে দূর হয় না। সবচেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি হয়, যখন বিয়েবাড়ি কোনও নিমন্ত্রণ থাকে। ব্রণ ঢাকতে নাজেহাল হতে হয়। তবে যদি রূপটানের কিছু কৌশল জানা থাকে, তা হলে আর চিন্তা নেই। এমন ভাবে মেকআপ করুন, যাতে মুখের কোনও অংশে যে ব্রণ ছিল, তা বোঝাই যাবে না।
সবচেয়ে আগে ভাল করে ক্নিনজ়িং মিল্ক দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিতে হবে। যাতে ধুলোময়লা না লেগে থাকে। ত্বক পরিষ্কার করার সঙ্গে সঙ্গে টোনার আর ময়েশ্চারাইজ়ার লাগিয়ে নিতে হবে।
আরও পড়ুন:
খুঁত ঢাকার জরুরি ধাপ হল প্রাইমার। মুখে দাগ-ছোপ থাকলে, ব্রণের জন্য গর্ত হয়ে গেলে বা ত্বকের রন্ধ্রমুখ যদি বড় হয়, তা ঢেকে দিতে সাহায্য করবে প্রাইমার। ত্বকের উপযোগী প্রাইমার বাছুন।
এর পর মুখের মাঝের অংশে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে ধীরে ধীরে তা বাইরের দিকে ব্লেন্ড করুন। ত্বকের দাগছোপ অনেক বেশি থাকলে কনসিলার লাগান। যত ক্ষণ না কনসিলার ও ফাউন্ডেশন ত্বকের সঙ্গে একেবারে মিশে যাচ্ছে, তত ক্ষণ ধৈর্য্য ধরে ব্লেন্ড করুন। পাউডারের সাহায্যে বেস মেকআপ সেট করে নিন। ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফাউন্ডেশন বাছতে হবে। তবে অনেকেই মনে করেন, পুরু করে ফাউন্ডেশন লাগালেই ব্রণর দাগ, ডার্ক সার্কল সব কিছু ঢাকা পড়বে। তা কিন্তু মোটেই নয়। বরং বেশি মোটা করে ফাউন্ডেশন লাগালে, রূপটানে কৃত্রিমতার ছাপ ধরা পড়বে। তাই ঠিক যতটা ফাউন্ডেশন জরুরি, ততটাই মাখুন।
মেকআপ করতে ভাল লাগলেও তোলার সময় আলস্য আসে। তবে মেকআপ না তুললে ব্রণর সমস্যা আরও বাড়তে পারে। মেকআপ তোলার জন্য ‘ডবল ক্লিনজিং’ পদ্ধতি ব্যবহার করুন। কারণ এক বার ফেসওয়াশ করলে কিংবা শুধু মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করলে মুখ পরিষ্কার হয় না। প্রথমে মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করে মেকআপ তুলে ফেলুন। এর পর ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সব শেষে অ্যালো ভেরা জেল লাগিয়ে নিলে ত্বক নরম থাকবে।