বাজারজাত সিরাম ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছেন না, অথচ ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারে আলস্য! এ দিকে আপনার হেঁশেলের বা ফ্রিজের ফল-সব্জির ঝুড়িতেই ত্বকচর্চার উপযুক্ত সামগ্রী পড়ে থাকে। ঘরোয়া উপাদান দিয়েই অনেক সময়ে এমন কিছু তৈরি করা যায়, যা ত্বকের জন্য সমান কার্যকর। বিশেষ করে শসা ও শসার খোসা হতে পারে ত্বকের যত্নের দুর্দান্ত এক উপাদান। আলস্যের কথা মাথায় রেখে এমন একটি সিরাম বানাতে পারেন, যা এক বার বানালে বহু দিন চলবে। এক বারের পরিশ্রমই যথেষ্ট।
শসা দিয়েই বানিয়ে নিন ঘরোয়া সিরাম। ছবি: সংগৃহীত
শসার খোসায় থাকে ভিটামিন কে, ফাইবার, বিটা-ক্যারোটিন, সিলিকা ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে, দাগ হালকা করতে এবং বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে এই উপাদানগুলি। পাশাপাশি, এটি গরমে ত্বকের প্রদাহ ও ফোলাভাব কমায়। সেই ফল ও তার খোসা দিয়েই খুব সহজে বানানো যায় ঘরোয়া ‘অ্যান্টি-এজিং’ সিরাম।
সিরাম বানানো শিখে নিন ধাপে ধাপে—
কী কী প্রয়োজন?
২-৩টি শসা (অর্গানিক হলে ভাল হয়)
১ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ অ্যালো ভেরা জেল
২ টেবিল চামচ গোলাপজল
২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল
কী ভাবে বানাবেন?
প্রথমে গোটা শসা গ্রেটারে গ্রেট করে নিন। তার পর ছাঁকনি ব্যবহার করে অবশিষ্ট দলাগুলি ফেলে রসটুকু বার করে নিন। এ বার একটি বড় পাত্রে শসার রস এবং গোলাপজল, অ্যালো ভেরা জেল মিশিয়ে নিন। তার পর ভিটামিন ই-র ক্যাপসুল ভেঙে মিশিয়ে দিন এই মিশ্রণে। তার পর অনেক ক্ষণ ধরে ভাল করে নাড়িয়ে সমস্ত উপাদানকে একে অপরের সঙ্গে মিশতে দিতে হবে। তার পর পরিষ্কার কাচের শিশিতে রেখে এটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। ড্রপার দিয়ে বাজারজাত সিরামের মতো ব্যবহার করতে পারেন।
আরও পড়ুন:
ব্যবহার করবেন কী ভাবে?
ব্যবহারের সময়ে মুখ পরিষ্কার করে অল্প পরিমাণ নিয়ে হালকা হাতে মাসাজ করতে হবে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক ধীরে ধীরে উজ্জ্বল হয় আর বয়সের ছাপও কিছুটা হালকা হতে পারে। তবে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে আগে অল্প করে পরীক্ষা করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সিরামের পর ময়েশ্চারাইজ়ার মাখতে হবে মুখে। আর সকালে রোদে বেরোনোর আগে মাখলে তার পরে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।