শ্যাম্পু করা ভিজে চুল কিছুতেই শুকোতে চাইছে না। ভেজা চুলে রাস্তায় বেরোলে ধুলো-ময়লা জমার ভয় থাকে। তাই বেশির ভাগ সময়ে বেঁধে রাখতে হয়। আর এই অভ্যাসেই চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে, ভ্যাপসা গন্ধ বেরোচ্ছে। শ্যাম্পু করলেও সেই গন্ধ ঢাকা দেওয়া যাচ্ছে না। ইদানীং আবার অনেকেই এই সমস্যা দূর করতে হেয়ার পারফিউম ব্যবহার করেন। সদ্য স্নান করার পর যে তরতাজা, ফুরফুরে ভাব হয়, তেমনটা না হলেও সুগন্ধি ব্যবহারে চুলের দুর্গন্ধ ঢাকা পড়ে যায়। এখন প্রশ্ন হল চুলে মাখার সুগন্ধি আর গায়ে মাখার সুগন্ধি কতটা আলাদা?
গায়ে মাখার সুগন্ধি চুলে মাখতে পারলে ‘এক ঢিলে দুই পাখি’ মারা যায়। আলাদা আলাদা প্রসাধনীর জন্য খরচ করতে হয় না। আবার, সময়ও বাঁচে। কিন্তু তলিয়ে দেখলে বোঝা যাবে, এই ধরনের প্রসাধনী ব্যবহারে কিন্তু সমস্যা রয়েছে। বডি স্প্রে বা সাধারণ গায়ে মাখার সুগন্ধির মধ্যে অ্যালকোহলের মাত্রা অনেকটাই বেশি। তা চুলের পক্ষে ক্ষতিকর। চুলের জন্য তৈরি বিশেষ ধরনের সুগন্ধির মধ্যে কিন্তু অ্যালকোহল থাকে না। তাই চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা নেই বললেই চলে।
কী ভাবে ব্যবহার করবেন?
যে ভাবে বাইরে বেরোনোর আগে সারা শরীরে সুগন্ধি ছড়িয়ে নেন, ঠিক সেই ভাবে নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে চুলে স্প্রে করে নেওয়া যেতে পারে ‘হেয়ার পারফিউম’। তবে, ভিজে চুলে হেয়ার পারফিউম স্প্রে করা যায় না। সব সময়ে শুকনো চুলে সুগন্ধি স্প্রে করতে হয়। নামী-দামি বহু সংস্থাই এখন চুলে মাখার সুগন্ধি তৈরি করে। আবার, অনেক সংস্থা গায়ে এবং চুলে মাখার সুগন্ধি একই বোতলে ভরে বিক্রি করে। একমাত্র সেই ধরনের সুগন্ধিই ত্বক এবং চুলে ব্যবহার করা যায়।