মুখে রোম তোলার পরে জ্বালা ভাব থাকলে অনেকেই বরফ ঘষে নেন। আবার গরমকালে ব্রণ, ফুস্কুড়ি, র্যাশের জ্বালা কমাতেও মুখে বরফ বুলিয়ে নেন অনেকে। ত্বকের প্রদাহ কমিয়ে রক্ত সঞ্চালন ভাল করতে বরফের জুড়ি মেলা ভার। র্যাশ-ব্রণের নিরাময়ে এবং ত্বকের ক্ষত সারিয়ে নতুন কোলাজেন উৎপাদন করতে এই টোটকা দারুণ কাজের। সে জন্যই ‘আইস ফেশিয়াল’ এখন বেশ জনপ্রিয় তারকাদের মধ্যে। অনেকে আবার চটজলদি ত্বকে জেল্লা ফেরাতে বরফজলে মুখ ডুবিয়ে রাখেন। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই এতে ত্বকের লাভের থেকে বেশি ক্ষতি হয়।
কারা সতর্ক হবেন?
সমাজমাধ্যমে দেখে অনেকেই এমন সমস্ত কৌশল নিজস্ব রূপচর্চায় কাজে লাগান। অঞ্চল বলছেন, যাঁদের ত্বক স্পর্শকাতর, ‘রোজাসিয়া’ বা ত্বক এমনিতেই লালচে ধরনের বা বিশেষ কোনও সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে মুখে বরফ ঘষা বিপজ্জনক হতে পারে। সরাসরি মুখে বরফ দেওয়া অনুচিত। এতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকের ধরন যাঁদের, এবং বরফে অ্যালার্জি থাকলে এই পন্থা বিপদ ডেকে আনতে পারে।
সঠিক কৌশল
বরফ মুখে মাখার আগে পরিষ্কার সুতির কাপড়ে মুড়ে নিতে হবে। তার পর সেটি বড়জোড় ১-২ মিনিট হালকা করে বুলিয়ে নিতে হবে। চেপে মুখে ঘষলেও ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। বরফ থেরাপিতে কিছুটা উপকার হলেও, তা কিন্তু ত্বকের সমস্যার সমাধান করতে পারে না, বলছেন চিকিৎসক। বরফ মাখার পর তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে ময়েশ্চারাইজ়ার মাখতে হবে। তবে নিয়মিত এই পন্থা প্রয়োগ করা ঠিক নয় বলে সতর্ক করছেন চিকিৎসক।