Advertisement
E-Paper

বয়স হলেও ছাপ পড়বে না ততটা, ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সময় থাকতেই কী কী করা দরকার

বয়স হলে মুখে তার ছাপ পড়াই স্বাভাবিক। তবে বার্ধক্যকে সাময়িক ভাবে ঠেকিয়ে রাখারও কৌশল আছে, তা জানেন কি?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১৩:৫৫
অকালে বুড়িয়ে যাবে না ত্বক, পরিচর্যার কৌশল জানলে।

অকালে বুড়িয়ে যাবে না ত্বক, পরিচর্যার কৌশল জানলে। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

৫০-এ পৌঁছোলেও কাউকে দেখে যেমন বয়স আঁচ করা যায় না, তেমন ত্রিশেই বুড়িয়ে যাওয়ার উদাহরণও কম নেই। চেহারার ধরন, বলিরেখা, মুখের রুক্ষ ভাবের জন্য কাউকে কাউকে কম বয়সেও অপেক্ষাকৃত বেশি বয়সি মনে হয়। কারও ত্বক এমনিতেই সুন্দর, তেমন কোনও পরিচর্যা ছাড়াই উজ্জ্বল। তবে সকলের ক্ষেত্রে তা হয় না। ধোঁয়া, ধুলো, দূষণ, ক্ষতিকর অতিবেগনি রশ্মি থেকে যেমন ত্বককে বাঁচানোর দরকার হয়, তেমনই প্রয়োজন সঠিক পরিচর্যা। আর সব শেষে থাকে আধুনিক চিকিৎসা।

তারুণ্য ধরে রাখতে কী ভাবে যত্নে নেবেন ত্বকের

তেল নয় আর্দ্রতা: রুক্ষ ত্বকে তেল মাখলেই চকচকে হয়ে ওঠে। শুষ্ক ভাবও কমে। তবে তেলতেলে ত্বক আর আর্দ্র ত্বক এক নয়। তৈলাক্ত ত্বকের ধরন যাঁদের, তাঁদের ত্বকেও আর্দ্রতার অভাব হতে পারে। পর্যাপ্ত জল না খেলে জলশূন্যতার ছাপ পড়ে মুখেচোখেও। তবে শুধু জল বা স্বাস্থ্যকর পানীয় খাওয়া যথেষ্ট নয় ত্বককে দিতে আর্দ্রতার বর্ম। গ্লিসারিন, হায়ালুরোনিক অ্যাসিডের মতো উপাদান ত্বকের কোষে জল টেনে ধরে রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের ধরন এবং প্রয়োজন বুঝে এমন উপাদান রয়েছে সেই প্রসাধনী ব্যবহার করা দরকার।

রেটিনয়েড: অকালে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করতে পারে রেটিনয়েড। ত্বকের চিকিৎসাতেও ইদানীং এর ব্যবহার বেড়েছে। ভিটামিন এ থেকে প্রাপ্ত রেটিনয়েডের মধ্যে একটি উপাদান হল রেটিনল। ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ, কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে এটি সাহায্য করে। ত্বক টানটান রাখতে, জেল্লা ধরে রাখতে সাহায্য করে উপাদানটি। রেটিনল আসলে ভিটামিন এ। রেটিনলযুক্ত ক্রিম বা সিরাম ব্যবহারের আদর্শ সময় রাত। এটি মেখে রোদে বেরোনো চলে না। এ ছাড়া, ডিম, মাছ, গাজরের মতো খাবার থেকেও শরীর রেটিনল পায়। তবে রেটিনল ক্রিম বাজারে মিললেও, রেটিনয়েড-এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার।

সুরক্ষা জরুরি: যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি ত্বকের প্রয়োজন সুরক্ষাও। প্রতি দিন ধুলো, ধোঁয়া, দূষণে ত্বকের ক্ষতি হয়। তবে অকালবার্ধক্যের নেপথ্যে বড় শত্রু সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগনি রশ্মি। নিয়ম করে সানস্ক্রিন মাখা জরুরি। রোদ থাক বা না থাক— সানস্ক্রিন ত্বকে থাকতেই হবে। ত্বকের ক্ষতি করে কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনের ব্লুলাইট। এই ব্যাপারেও সতর্ক হওয়া দরকার।

ত্বকের বর্ম: এক্সফোলিয়েশন বা মৃত কোষ ঝরিয়ে ফেললেই ত্বক ঝকঝকে হবে, এমন নয়। বরং অনেক সময় প্রসাধনীর রাসায়নিক থেকে প্রদাহ হতে পারে। তার ফলে, ত্বক টানটান রাখার নেপথ্যে থাকা কোলাজেন প্রোটিন ভেঙে যেতে পারে। ফেসওয়াশ হোক বা ক্রিম— সেরামাইড, ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের আর্দ্রতাকে আটকে রাখবে। ফলে ত্বক দেখাবে সুন্দর, প্রাণবন্ত।

বায়ো রিমডেলিং: ঘরোয়া উপায় ছাড়া রয়েছে কিছু কসমেটিক চিকিৎসাও। বায়ো রিমডেলিং পন্থায় ফিলারের মতো হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ইঞ্জেকশন দিয়ে ত্বক টানটান করা হয়। অ্যাসিড ত্বকের গভীরে গিয়ে কোলাজেন এবং ইলাস্টেন তৈরিতে সাহায্য করে, ফলে ত্বক টানটান হয়। বলিরেখা কমে। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে। ফিলার যেমন কোনও অংশ ভরাট করতে ব্যবহৃত হয়, এটি তেমন নয়। বরং এটি ত্বকে ছড়িয়ে গিয়ে কাজ করে।

Anti Ageing Hacks Beauty Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy