সাজগোজ করে ঘোরা-খাওয়া, আড্ডা-গল্প ছাড়া বাঙালির বর্ষবরণ হয় না। সাজসজ্জা সম্পূর্ণ হয় না প্রসাধনীর পরত ছাড়া। একে বৈশাখের গরম, তার উপর মেকআপ— ধুলো এবং ঘাম জমে হঠাৎ করেই দেখা দিতে পারে ফুস্কুড়ি। তা ছাড়া দিনভর রোদে ঘুরলে মুখে কালচে ছোপও পড়তে পারে। মেকআপ তুললেই সেই ছবি আরও স্পষ্ট হয়।
দিনভর ঘোরাঘুরির পর শুধু মেকআপ তোলা এবং ময়শ্চারাইজ়ার মাখাই যথেষ্ট নয়। বরং প্রাকৃতিক উপাদানের ছোঁয়ায় এই সমস্যার সমাধান হতে পার। নিম অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল। এতে রয়েছে প্রদাহনাশক উপাদান। ব্রণ-ফুস্কুড়িতে নিমের ব্যবহার নতুন নয়। কী ভাবে বানাবেন ফেসপ্যাক?
আরও পড়ুন:
নিম-গোলাপ: নিমপাতার গুঁড়োর সঙ্গে মিশিয়ে নিন গোলাপজল। নিমপাতার গুঁড়ো বাজারে মেলে। নিমপাতা জলে ভিজিয়ে বেটেও নিতে পারেন। তার সঙ্গে দিতে পারেন গোলাপজল। মুখ ফেসওয়াশ দিয়ে ধোয়ার পরে এটি মাখতে হবে। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। ত্বকের ধরন তৈলাক্ত হলে এই প্যাক খুবই কার্যকর হবে।
নিম-মুলতানি মাটি: ব্রণের সমস্যা থাকলে বেছে নিন মুলতানি মাটি। নিমের গুঁড়োর সঙ্গে মুলতানি মাটি গোলাপজল দিয়ে গুলে নিন। মুখে মাখলেই ঠান্ডা বোধ হবে। আরাম লাগবে। ১০ মিনিট মেখে রাখার পরে জলের ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে নিন। তার পরে ত্বকবান্ধব কোনও ময়েশ্চারাইজ়ার মাখতে হবে।
নিমপাতা এবং অ্যালো ভেরা জেল: ত্বকের ধরন শুষ্ক হলেও ফুস্কুড়ি হয়। আসলে ঘাম এবং ময়লায় এমটা হতে পারে। নিমপাতার গুঁড়ো এবং অ্যালো ভেরা জেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। সেটাই মুখে লাগান। তবে ক্লিনজ়িংয়ের পরেই ফেসপ্যাক লাগাতে হবে। প্যাক ধোয়ার পরে ময়েশ্চারাইজ়ার মেখে নিন।