মাছের ঝোল হোক কিংবা মুরগির কষা, নিরামিষ ডালনা হোক বা চাটনি, টম্যাটো ছাড়া হেঁশেলে কাজ করা বড়ই মুশকিল। সাধারণত বহু রান্নাতেই স্বাদ বাড়ানো এবং লালচে রং আনতে ব্যবহার করা হয় টম্যাটো। অনেকে আবার স্যালাড হিসাবেও কাঁচা টম্যাটো খেতে পছন্দ করেন। পুষ্টির নানা উপাদানে পরিপূর্ণ টম্যাটো। বিভিন্ন ভিটামিন এবং নানা ধরনের খনিজ পদার্থে ভরপুর। ভিটামিন বি১, বি৩, বি৬, বি৭ এবং সি থাকে টম্যাটোয়। রান্নায় টম্যাটো দিলে স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনই বাড়ে শরীরের প্রতিরোধ শক্তিও।
বাজারে গেলে থলিতে টম্যাটো আসবেই! তবে কখনও খেয়াল করেছেন যে, বাজারের সব টম্যাটো দেখতে এক রকম নয়? কোনওটি আকারে ছোট, নরম আর স্বাদে টক-মিষ্টি হয়, আবার কোনওটি আকারে বড় ও চকচকে হয় এবং অনেক বেশি দিন ফ্রিজে রেখে দিলেও খারাপ হয় না। বাজারে মূলত দু’ধরনের টম্যাটো পাওয়া যায়, দেশি টম্যাটো আর হাইব্রিড টম্যাটো। দু’টিকে দেখতে এক ঝলকে একই রকম লাগলেও, একটু নজর দিলেই তফাৎ করে নিতে পারেন।
বাজারে গিয়ে দেশি টম্যাটো ভেবে হাইব্রিড টম্যাটো কিনছেন না তো?
১) দেশি টম্যাটোর আকার সমান হয় না। কোনও দিকটা বড়, কোনও দিক আবার ছোট হতে পারে। অন্য দিকে, হাইব্রিড টম্যাটোর উপরিভাগ একেবারে সমতল হয়।
২) দেশি টম্যাটোর রং লাল টুকটুকে হয় না। এই টম্যাটোর এক দিকটা লালচে আবার অন্য দিকটা ফ্যাকাশে হতে পারে। হাইব্রিড টম্যাটোগুলির লাল টুকটুকে হয়, দেখতেও বেশ চকচকে হয়।
৩) টম্যাটো কেনার আগে হাত দিয়ে একটু চেপে দেখে নিতে হবে। দেশি টম্যাটো হালকা নরম হয়, আর হাইব্রিড টম্যাটো বেশ শক্ত হয়।
৪) দেশি টম্যাটোর হালকা মিষ্টি গন্ধ থাকে, হাইব্রিডগুলির কোনও গন্ধ পাওয়া যায় না।
৫) দেশি টম্যাটোর বীজ বেশি থাকে, হাইব্রিডের তুলনায় অনেক বেশি রসালো হয়। হাইব্রিড টম্যাটোর খোসা দেশি টম্যাটোর তুলনায় অনেক বেশি মোটা হয়।