হইহুল্লোড়ের ঋতু শীত। তাই এই সময় বছরের অন্যান্য মাসের তুলনায় যে বাইরে খাওয়াদাওয়া, বনভোজন, টুকটাক পার্টি একটু বেশিই থাকবে, তা স্বাভাবিক। বেড়াতে যাওয়ার জন্যও অনেকে বেছে নেন এই সময়টাকে। এ দিকে খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম যত বাড়ে, ততই খাদ্যে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। শীতে এই অসুখের প্রবণতা বাড়লেও সারা বছরই খাদ্যে বিষক্রিয়ার ভয় তাড়া করে বেড়ায় আমাদের।

হজমে গন্ডগোল ছাড়াও বমি, জ্বর ডায়রিয়া বিভিন্ন উপসর্গের হাত ধরেই এই অসুখ দানা বাঁধতে পারে শরীরে। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অপরিষ্কার জল, বিশেষ কোনও খাবার সহ্য না হওয়া কিংবা ব্যাকটিরিয়া-ছত্রাকে আক্রান্ত খারাপ খাবার থেকে এই অসুখ ছড়ায়। অবহেলা করলে এই অসুখ থেকে মৃত্যুও ঘটতে পারে। তাই সতর্ক হোন প্রথম থেকেই।

খাদ্যে বিষক্রিয়ার শিকার হলেই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন, নিয়ম মেনে চলুন। এ না হয় অসুখ হলে তার পরবর্তী কিছু পদক্ষেপ। কিন্তু অসুখের আগেই যদি তাকে রুখে দেওয়া যায়, তা হলে? কিছু বিশেষ খাবারও যদি নিয়ম করে খেতে পারেন, তা হলে এই খাদ্যে বিষক্রিয়া এড়াতে পারেন সহজেই। দেখে নিন সে সব।

আরও পড়ুন: এ সব অভ্যাসে রাশ না টানলে বন্ধ্যাত্ব গ্রাস করতে পারে আপনাকে

ডায়রিয়ার ব্যাকটিরিয়ার সঙ্গে লড়তে আপেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  • প্রতি দিন এক কুচি আদার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে হজমশক্তি বাড়ে। সঙ্গে পেটে ব্যথা, বমিভাব ইত্যাদি কমাতেও এটি উপকারী।
  • হজমের সমস্যা কমাতে পারে জিরে। দিনে এক বার খানিকটা গোটা জিরে অল্প নুন মাখিয়ে খেলে ভাল ফল পাবেন।
  • খাদ্যে বিষক্রিয়া কমাতে যে সব ফল খুব উপকারী, তার মধ্যে অন্যতম কলা। কলায় পটাশিয়ামের পরিমাণ অনেক, তাই এই অসুখের সঙ্গে লড়তে সুবিধা হয়।

​​​​আরও পড়ুন: ডায়েট, শরীরচর্চা, ঘুম সব মেনেও ওজন কমছে না এই ছোট্ট ভুলে, কেন জানেন?

  • ডায়রিয়ার ব্যাকটিরিয়ার সঙ্গে লড়তে আপেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অ্যাসিডিটি কমাতে ও হজমের যে কোনও গোলযোগ ঠিক করতে এই ফল অব্যর্থ।  
  • শরীরের টক্সিন দূর করতে ও পরিপাক পদ্ধতিকে স্বাভাবিক রাখতে গরম জলে একটি পাতিলেবুর রস মিশিয়ে তা দিনে বার কয়েক খান। এই অভ্যাস প্রতি দিন বজায় রাখতে পারলে হজমের বিভিন্ন সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে।