Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২২ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

Street food: দক্ষিণ কলকাতায় পুজো দেখতে বেরোচ্ছেন? খিদে পেলে কোথায় কোথায় খেতে পারেন

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১২ অক্টোবর ২০২১ ১৪:২৩
যোধপুর পার্কের প্যান্ডেলের বাইরে শরবত, আইসক্রিম, কাঠি রোল, চাউমিন, মোঘলাই পরোটা— পেয়ে যাবেন সবই।

যোধপুর পার্কের প্যান্ডেলের বাইরে শরবত, আইসক্রিম, কাঠি রোল, চাউমিন, মোঘলাই পরোটা— পেয়ে যাবেন সবই।

দক্ষিণ কলকাতা ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখার ইচ্ছে? তা হলে তো দীর্ঘ ক্ষণের পরিকল্পনা। একডালিয়া, সিংহী পার্ক, ট্র্যায়াঙ্গুলার পার্ক, দেশপ্রিয় পার্ক, মুদিয়ালি, যোধপুর পার্ক, সেলিমপুর— বড় বড় ঠাকুরের সংখ্যাও তো নেহাত কম নয়। অত ঘুরে ঘুরে সারা দিন ধরে দেখতে গেলে খিদে পাওয়াই স্বাভাবিক। আর পেটপুজো ছা়ড়া দুর্গাপুজোই অসম্পূর্ণ। তাই কোথায় কোথায় খাওয়া যায়, রইল সে হদিস।
সকালবেলা যদি শুরু করেন, তা হলে জলখাবার খেতে পারেন দেশপ্রিয় পার্কের ‘মহারানি’ থেকে। মোনালিসা গেস্টে হাউজের উল্টো দিকের রাস্তায় কচুড়ি খাওয়ার জন্য লম্বা লাইন পরে সপ্তাহের যে কোনও দিনেই। গরম গরম গুলাব জামুন সঙ্গে খেতে ভুলবেন না। গড়িয়াহাটের সব ঠাকুর দেখে ক্লান্ত হয়ে গেলে দুপুরের খাবার খাওয়ার জায়গার অভাব হবে না। প্রচুর নামী-দামি রেস্তরাঁ পেয়ে যাবেন গড়িয়াহাটেই।
ফুচকা ছাড়া পুজো জমে না। জিভে জল আনা ফুচকা খেতে চলে যান দক্ষিণাপনের সামনে। তবে যদি গড়িয়াহাট দিয়ে ঠাকুর দেখা শুরু করে চেতলার দিকে যান, তা হলে বিবেকানন্দ পার্কেও যেতে পারেন ফুচকার সন্ধানে। এখানে মিনারেল ওয়াটার ব্যবহার করা হয় ফুচকায়। এখানে পাবেন হরেক রকম মুখরোচক ফুচকা।
বিকেলের দিকে কি যোধপুর পার্কের পুজো দেখবেন? তা হলে খাওয়া নিয়ে চিন্তা নেই। প্যান্ডেলের বাইরেই নানা রকম খাবারের মেলা। শরবত, আইসক্রিম, কাঠি রোল, চাউমিন, মোঘলাই পরোটা— পেয়ে যাবেন সবই।

Advertisement
ফুচকা ছাড়া পুজো জমে না। জিভে জল আনা ফুচকা খেতে চলে যান দক্ষিণাপনের সামনে।

ফুচকা ছাড়া পুজো জমে না। জিভে জল আনা ফুচকা খেতে চলে যান দক্ষিণাপনের সামনে।


সেলিমপুরের পুজো দেখে বেরিয়ে সন্ধেবেলা বন্ধুরা মিলে যে কোনও পানশালায় চলে যেতে পারেন ওই চত্বরেই। সঙ্গে তন্দুরী খাবার দিয়ে রাতের খাবারও সারা হয়ে যাবে। পুজোমণ্ডপের বাইরে পপকর্ন বা বুড়ির চুল হাতে নিয়েও বসে পড়া যায়। পুজোর দিনে ছেলেবেলা ফিরে পেতে এই খাবারগুলি দারুণ সাহায্য করে।
চেতলার দিকে যে ক’টি ঠাকুর আছে, সেগুলি দেখা হয়ে গেলেও খাবারের কমতি পড়বে না। আপনজনের ফিশ ফ্রাই কিংবা রাসবেহারী মোড়ে ধাবা থেকে নানা রকম খাবার এবং লস্যি— প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গা বেছে নিন।

কসবা বোসপুকুর বা শীতলামন্দিরের পুজো দেখে বেরিয়ে খিদে পেল? ওখানে তো কোনও চিন্তাই নেই। উল্টোদিকের বিলাসবহুল শপিং মলে ঢুকে যান। পছন্দ মতো দেশ-বিদেশের খাবার পেয়ে যাবেন এখানে।

এই সবের মাঝে আইসক্রিম খেতে ভুলবেন না। রাস্তা দিয়ে ঘুরতে ঘুরতে যদি কাঠি আইসক্রিম বা কুলফি না খেলেন, তা হলে আর পুজোর মজা কই?

আরও পড়ুন

Advertisement