কখনও বা পোশাকের সঙ্গে মানানসই করে, কখনও বা ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঠোঁট রাঙানো সাজেগোজের রোজের অঙ্গ। তবে খুব ওল্ড স্কুল ফ্যাশনে বিশ্বাসী না হলে ঠোঁটের সাজে আনতে পারেন আমূল বদল। কোনও রঙের ছোঁয়া ছাড়াও ঠোঁট নিয়ে কেতা সম্ভব।   

লিপস্টিক থাকলে ঠোঁটের সাজ নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাতে হয় না। কিন্তু যখন লিপস্টিক থাকবে না, তখন?  বাড়িতে বা বাইরে বেরলেও সব সময়ই যে লিপস্টিক পরতেই হবে এমন তো নয়! বরং ন্যুড ঠোঁটেও কাঁপন ধরাতে পারেন প্রিয় হৃদয়ে।

কিন্তু যদি ঠোঁটের রং কালো বা ফ্যাকাসে হলে তা আদৌ ন্যুড ঠোঁটের স্টাইল আপনাকে মানাবে না। তবে ঘরোয়া কিছু উপায় আছে, যা মেনে চললে ঠোঁট হবে নরম, সুন্দর। জেনে নিন সেই উপায়।

আরও পড়ুন: কফিও কমায় মেদ, তবে জানতে হবে খাওয়ার নিয়ম

  • আর্দ্রতা হারালে ঠোঁট বিবর্ণ হয়ে যায়। ঠোঁটের রং কালো হয়ে যায়। তাই ঠোঁটের আর্দ্রতা সব সময়ই ধরে রাখা উচিত। এর জন্য ভাল লিপবাম খুব প্রয়োজনীয়। কিন্তু আমরা অনেকেই লিপবাম সঠিক প্রয়োগ করি না। ঠোঁটকে শুষ্ক হতে দিই। ফলে ঠোঁটের ত্বক ভিতর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নরম ঠোঁট চাইলে আগেই নজর দিন ঠোঁটের আর্দ্রতার দিকে।

  • ঠোঁটের ত্বক খুবই পাতলা হওয়ায় দরুণ খুব দ্রুত তা শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। ঠোঁটকে ভাল রাখতে প্রতি নিয়ত মরা কোষ দূর করা দরকার। তাই অল্প গরম জলে একটু মধু ফেলে ঘষুন ঠোঁটে। মধু প্রাকৃতিক ভাবেই আর্দ্রতা বাড়াতে সক্ষম। আবার এই মিশ্রণ স্ক্রাবারেরও কাজ করে।  

  • শুধু কি দেহের চামড়াই রোদে পুড়ে যায়?  ঠোঁটেও একই ভাবে সানবার্ন হয়। অতি বেগুনি রশ্মি থেকে তাই ঠোঁটকে রক্ষা করা খুব জরুরি। সানস্ক্রিন অল্প করে লাগান ঠোঁটেও। একটু জল মিশিয়ে নিন সানস্ক্রিনে।

  • প্রতিনিয়ত ধূমপানের অভ্যাসও কালো ঠোঁটের একটা বড় কারণ। সিগারেটের নিকোটিন ঠোঁটে প্রবেশ করে বিবর্ণ করে তোলে ঠোঁটকে। তাই ঠোঁট ভাল রাখতে আগে ছাড়ুন ধূমপান।

আরও পড়ুন: পাউরুটি মজুত করে রাখতে চান? এ সব নিয়ম মেনে বেশি দিন টাটকা রাখুন

  • ঠোঁট নরম রাখতে একটু নজর রাখুন প্রসাধনের উপর। নামী কোম্পানির লিপস্টিক বা লিপগ্লস ব্যবহার করুন। সকলের ত্বকে সব কিছু খাপ খায় না। কয়েক দিন ব্যবহারের পর নজর রাকুন, ঠোঁটের রং কালচে হচ্ছে কি না। হলেই বদলান প্রসাধন।

  • নিয়মিত মেক আপ তোলার সময় আমরা ঠোঁটের দিকে খুব একটা নজর দিই না। এতে ঠোঁটের ক্ষতি। মেক আপ বসে ঠোঁটকে কালো করে। তাই ত্বকের মতোই যত্ন করে তুলুন ঠোঁটের মেক আপও।