দু’দিনের ইজ়রায়েল সফরে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে নানা বিষয়ে আলোচনা হয় প্রধানমন্ত্রী মোদীর। মোদীর জন্য সেখানে এলাহি খাবারেরও আয়োজন করা হয়।
জেরুসালেমের কিং ডেভিড হোটেলেই মোদীর জন্য ভূরিভোজের আয়োজন করা হয়। মোদীর জন্য রান্না করেন সেই হোটেলের প্রধান রন্ধনশিল্পী রীনা পুশকর্না। মোদী নিরামিষভোজী। খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহ কখনওই ছিল না তাঁর। একাধিক সাক্ষাৎকারে মোদী বলেছেন, তিনি বেঁচে থাকার জন্য খান, খাওয়ার জন্য বাঁচেন না। খাবার নিয়ে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষাও পছন্দ নয় মোদীর। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য তৈরি নৈশভোজে কী কী পদ বানিয়েছিলেন রীনা?
নারগিসি কোপ্তা: এই পদ সাধারণ মাংস দিয়েই তৈরি হয়। তবে মোদী মাংস খান না। তাই একেবারে নিরামিষ ভাবেই পদটি বানানো হয় মোদীর জন্য।
ইডলি-সম্বর: দক্ষিণ ভারতীয় খাবার খেতে পছন্দ করেন মোদী। তাই নৈশভোজের থালিতে ইডলি-সম্বরও রাখা হয়।
ডাল তরকা: কলকাতায় সবুজ মুগডাল দিয়ে যে তরকা বানানো হয়, এ খাবারটি তার থেকে আলাদা। মূলত মুগ, মসুর আর অরহড় ডাল দিয়ে ডাল তরকা বানানো হয়। এই ডালে টম্যাটো, ঘি, জিরা, শুকনোলঙ্কা আর হিংয়ের ফোড়ন দেওয়া হয়।
খিচুড়ি আর কুরকুরি ভিন্ডী: খিচুড়ি খেতে ভালবাসেন মোদী। তাই তাঁর পছন্দের কথা মাথায় রেখে নৈশভোজের থালিতে খিচুড়িও ছিল। সঙ্গে ছিল মশলাদার বেসনের ঘোলে ডোবানো মুচমুচে ঢেঁড়শ ভাজাও।
খান্ডভী: মোদীর জন্য গুজরাতি খাবার থাকবে না, তাই আবার হয় নাকি। নৈশভোজের থালিতে ছিল গুজরাতের জনপ্রিয় পদ খাণ্ডভী। মূলত বেসনের তৈরি ছোট ছোট নরম রোল, যার উপরে থাকে সর্ষে আর কারিপাতার ফোড়ন।
ধোকলা: থালিতে ছিল ধোকলাও। বেসনের তৈরি এই পদ মুখে দিতেই মিলিয়ে যায়। সঙ্গে থাকে ঝাল-মিষ্টি চাটনিও।
থেপলা: এই পদটিকে গুজরাতিদের পরোটাও বলা যেতে পারে। আচার আর দইয়ের সঙ্গে পরিবেশন করা হয় এই পদ।
এ ছাড়াও থালিতে ছিল পনিরের তৈরি রকমারি পদ আর কবাব। ছিল নানা রকম ইজ়রায়েলি নিরামিষ পদও।