ছুটির দুপুর হোক বা কর্মব্যস্ততার দিনের রসনাতৃপ্তি, ঘরোয়া মাংসের ঝোলেই মাংসাশী বাঙালি খুঁজে পায় তার পাতের আরাম। তবে মাংসের স্বাদ কেবল রান্নার উপরেই নয়, নির্ভর করে তা কেনার উপরেও।

শক্ত মাংস খাওয়া যেমন শরীরের জন্য ভাল নয়, তেমনই তা খাওয়াও কষ্টকর। বরং সুসিদ্ধ, নরম মাংসই খাওয়ার জন্য উপযোগী। অনেকেই মাংস সুসিদ্ধ করার জন্য তাকে প্রেসার কুকারে রান্না করেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও মাংস সেদ্ধ হয় না এমনও দেখা যায়।

মাংস যতই শক্ত হোক, তাকে নরম করার কিছু ঘরোয়া কৌশল জানলে তা সেদ্ধ করা অনেক সহজ হয়। জানেন কি এমন সব উপায়?

আরও পড়ুন: শরীর ভাল রাখতে তো রোজ হাঁটেন, হাঁটাহাঁটির নিয়মগুলো জানেন কি?

  • মাংস কী ভাবে কাটা হচ্ছে, তার উপরও নির্ভর করে তা শক্ত হয়ে ছিবড়ে হয়ে যাবে কি না। মাংস কাটানোর সময় ফাইবার যে দিকে রয়েছে সে দিকের মাংসই বেশি করে নিন এবং ফাইবারের দিক করেই মাংস কাটান।
  • মশলার সঙ্গে মাংস কত ক্ষণ ম্যারিনেট করে রাখছেন তার উপর মাংসের স্বাদ নির্ভর করে, সেদ্ধ হওয়ার অঙ্ক নয়। তাই সেই মিথ ভুলে যান। বরং মটন ম্যারিনেশনের সময় বা কষানোর সময় টক দই ও পেঁপেবাটা যোগ করুন এতে। চিকেন তুলনামূলক ভাবে নরম। তাই এর সঙ্গে পেঁপেবাটা যোগ না করলেও চলে। তবে মাংস ধোয়ার সময় ছিবড়ে বা শক্ত বলে মনে হলে, চিকেনে পেঁপের পরিবর্তে লেবুর রস বা ভিনিগার যোগ করুন।

​​আরও পড়ুন: কিডনিতে পাথর জমছে না তো? এই উপসর্গগুলি খেয়াল করুন

চিকেনে লেবুর রস বা ভিনিগার যোগ করুন।

  • মাংস রান্নার সময় ঢিমে আঁচে একটু সময় নিয়ে কষান। শক্ত মাংস যত কষাবেন, তত নরম হবে। তাই হাতে সময় নিয়ে মাংস রান্না করলে মাংস নরম হয়।
  • মাংস কিনে এনে শুধুমাত্র নুন মাখিয়ে তাকে ম্যারিনেট করে রাখুন। নুনের প্রভাবে মাংসের শক্ত ভাব অনেকটা দূর হয়। ভাল করে মাংস ধুয়ে নুন মাখিয়ে আধ ঘণ্টা রাখার পর তা ম্যারিনেট করুন।