Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

মাথাব্যথা আর ঘুমঘুম ভাব, দোলের নেশার ধাক্কা পরের দিন সামলাবেন কী করে

দেশের অন্য এলাকার মানুষের মতোই বাঙালিদের রংখেলার সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরেই জড়িয়ে আছে ভাঙের নাম।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২৮ মার্চ ২০২১ ১৪:১৯
ভাং থেকে হওয়া মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন কী করে?

ভাং থেকে হওয়া মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন কী করে?

দোলের দিন এমন অনেক কিছুর অনুমতি পাওয়া যায়, যা বছরের অন্য দিন পাওয়া যায় না। তার মধ্যে একটা নিশ্চয়ই ভাং খাওয়া। ভাং মানে, ভাঙের শরবত। দেশের অন্য এলাকার মানুষের মতোই বাঙালিদের রংখেলার সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরেই জড়িয়ে আছে ভাঙের নাম।

যদিও এই দিন উৎসাহের আতিশয্যে অনেকেই ভাঙের শরবত পানে কোনও নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না। তাতে ঝামেলা বাড়ের পরের দিন। সারা দিন চলতে থাকে মাথাযন্ত্রণা, ঘুমঘুম ভাব। ইংরেজিতে যাকে বলে, ‘হ্যাং ওভার’। এই অবস্থা কাটানোর সহজ রাস্তা কী কী, রইল সমাধান।

Advertisement

ভেষজ চা: ভেষজ চা শরীরে জমা দূষিত পদার্থ দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলে। গ্রিন টি-র কাজও একই রকম। ভাঙের নেশার পরের দিন এই ধরনের চা পান করলে মাথাব্যথা অনেকটাই কমবে।

লেবুর জল: এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। সেটিও শরীরে জমা দূষিত পদার্থ সহজে পরিষ্কার করতে পারে। দোলের পরের দিন সকালে খালি পেটে লেবুর জল মাথাধরা কাটাতে খুবই কাজে লাগতে পারে।

শুধু জল: ভেষজ চা বা লেবু নেই? সে ক্ষেত্রে শুধু জল দিয়েই কমিয়ে ফেলা যায় মাথাযন্ত্রণা। কয়েক লিটার জল পান করলেই শরীরে জমা দূষিত পদার্থের অনেকটা বেরিয়ে যাবে। ফলে তাজা হবে শরীর। কমবে ঘুমঘুম ভাব।

অনেকটা ঘুম: মাথাব্যথা কিছুতেই কমছে না? তা হলে এ বার ভরসা ঘুম। প্রচুর জল খেয়েও যদি ঘুমঘুম ভাব কাটানো না যায়, তা হলে না ঘুমিয়ে উপায় নেই। পর্যাপ্ত ঘুমই পারে এ সব ক্ষেত্রে মাথাযন্ত্রণার থেকে রেহাই দিতে।

গরম জলে স্নান: এক লপ্তে ক্লান্তি অনেকটা কাটিয়ে দিতে পারে গরম জলে স্নান। তার সঙ্গে হালকা গান চললে তো কথাই নেই। তার পরে মাথা ভাল করে শুকিয়ে একটু ঘুমিয়ে নিলে আগের দিনের ভাঙের নেশার ‘হ্যাং ওভার’ কাটতে বাধ্য।

আরও পড়ুন

Advertisement