জীবনের জটিল আবর্তে ক্লান্ত? ক্ষণিকের স্বস্তি মিলতে পারে সবুজের ছোঁয়ায়। বারান্দার বাগান হোক বা ঘরের আনাচ-কানাচ, বেছে নিন এমন কিছু গাছাগাছালি, যা দেখে চোখের আরাম মিলবে। মনও শান্ত হবে।
এরিকা পাম: এরিকা পামের বড়-বড় সবুজ পাতার স্নিগ্ধ পরশ গরমের ক্লান্তিকেও ম্লান করে। আর এই গাছের বৃদ্ধি গ্রীষ্মকালেই সবচেয়ে ভাল হয়। বহু দিন বাঁচে এই গাছ। যত্নেরও বিশেষ বালাই নেই। গাছ যখন বড় হয়ে যায়, তখন শুধু তার আধার অর্থাৎ টবটি বদলে দিতে হয় এবং নীচের দিকের পাতাগুলো ছেঁটে দিতে হয়। এরিকা পাম সপ্তাহে এক দিন বা দু’দিন রোদে দিলেই যথেষ্ট। বাকি ছ’দিন ঘরেই রাখা যায়। সবচেয়ে ভাল হয়, যদি রোজ বা এক দিন অন্তর পাতাগুলো জল স্প্রে করে ধুয়ে বা মুছে দেওয়া যায়।
বোগেনভেলিয়া: রঙিন বোগেনভেলিয়া মন ভাল করে দিতে পারে নিমেষেই। বোগেনভেলিয়া যাকে বাঙালিরা ‘কাগজ ফুল’ বলে চেনেন, তা কিন্তু ছোট্ট বারান্দায় টবেও হতে পারে। একথোকা ফুল যেখানেই থাকুক, সুন্দর দেখাবে আশপাশ। ১৪ রকম রঙের বোগেনভিলিয়া পাওয়া যায়।
স্নেক প্ল্যান্ট: ঘর সাজাতে যে সব গাছ রয়েছেন, তার মধ্যে একটি হল স্নেক প্ল্যান্ট। ঘরের বাতাস থেকে আর্দ্রতা শুষে নেয়। বাতাস ফুরফুরে রাখে। ফলে গরমের জন্য স্বস্তিদায়ক। খুব কম জলে বেঁচে থাকে এই গাছগুলি। খুব বেশি আলোরও প্রয়োজন নেই এদের। তাই ঘরের কোণে, যেখানে সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছোয় না, সেখানেও দিব্যি রাখা যায়। সপ্তাহে এক দিন বা কোনও কোনও সময়ে দশ দিনে এক বার জল দিলেও চলে।