ঘরের ভ্যাপসা গন্ধ কাটিয়ে সুগন্ধ ছড়াতে সহজ সমাধান বাজারচলতি রুম ফ্রেশনার। কেউ কেউ আবার ধূপ, সুগন্ধি মোমও বেছে নেন। চিকিৎসকেরা প্রমাদ গুনছেন তা নিয়েই। ধূপের গন্ধ যেমন শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে, তেমনই রাসায়নিকের ব্যবহারে তৈরি রুম ফ্রেশনারগুলিও ক্ষতিকর।তা ছাড়া, কৃত্রিম চড়া গন্ধে অনেকের মাথাও ধরে যায়। বদলে হেঁশেলের দুই উপকণেই বানান রুম ফ্রেশনার। স্নানঘরের বিশ্রী গন্ধ যেমন ঢাকবে, তেমনই বাড়িতে ছড়িয়ে থাকবে মিষ্টি গন্ধ।
উপায় খুব সহজ। পাতিলেবুর খোসা আর একটু গোলমরিচই যথেষ্ট। একটি পাত্রে ২টি পাতিলেবুর খোসা কুচিয়ে চার-পাঁচ কাপ জলে ফুটতে দিন। তাতে মিশিয়ে দিন বেশ কয়েকটি গোলমরিচ। প্রশ্ন উঠতেই পারে, এত কিছু থাকতে পাতিলেবুর সঙ্গে গোলমরিচই বা কেন?
পাতিলেবুর খোসা জলে গরম করলেই তা থেকে সুগন্ধি তেল বেরোয়, যার মধ্যে থাকে লিমোনিন। লেবুতে থাকা এই প্রাকৃতিক উপাদানের জন্যই এর এত সুবাস। গোলমরিচে থাকে পিপারিন, এর একটা ঝাঁঝালো গন্ধ হয়। লেবুর গন্ধ বেশ জোরালো, তবে গোলমরিচ যোগ করলে দুইয়ের মধ্যে একটি ভারসাম্য তৈরি হয়, যা ঘরকে মৃদু সুবাসে ভরিয়ে রাখে।
ব্যবহার
· হেঁশেলে লেবুর খোসা এবং গোলমরিচ ফুটলে যে বাষ্প তৈরি হবে, তা ছড়িয়ে পড়লে আপনা থেকেই ঘর সুবাসিত হবে। এ জন্য জল ফোটানোর সময়, রান্নাঘরের চিমনিটি বন্ধ করে দিন। না হলে বাষ্প ঘরের বাইরে চলে যাবে।
· জলটি একটি স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। তা দিয়ে রান্নাঘরের আনাচ-কানাচ মুছে নিন। স্নানঘরেও এই মিশ্রণটি স্প্রে করে দিন।
· ঘর মোছার সময়েও মিশ্রণটি ব্যবহার করতে পারেন। ফিনাইল বা রাসায়নিক সমৃদ্ধ ঘর মোছার দ্রবণ স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে, বিশেষত বাড়িতে শিশু থাকলে। কিন্তু এই জলটি নিরাপদ।