কাছের বান্ধবীর স্বামীকে বিয়ে করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন হংসিকা মোটবানী। নানা কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু স্থায়ী হল না সেই বিয়ে। তিন বছর পরে এসে বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন হংসিকা ও সোহেল খতুরিয়া। বুধবার বান্দ্রার আদালতে তাঁদের আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল। হংসিকা কি খোরপোশ নিচ্ছেন স্বামীর থেকে?
হংসিকার আইনজীবী আদনান শেখ আদালতকে জানিয়েছিলেন, বিয়ের পরে দম্পতি খুব কম সময়ের জন্য একসঙ্গে ছিলেন। সময়ের সঙ্গে তাঁরা বুঝেছেন, তাঁদের দু’জনের মধ্যে নানা বিষয়ে পার্থক্য রয়েছে। জীবনযাপন থেকে শুরু করে মতামত, আচরণ, সর্বত্রই নাকি তাঁদের মধ্যে নানা পার্থক্য রয়েছে।
খুব ছোটখাটো বিষয় নিয়েই নাকি তাঁদের মধ্যে কথা কাটাকাটি লেগেই থাকত। কিন্তু শেষপর্যন্ত সমীকরণ এমন জায়গায় পৌঁছোয়, এক ছাদের তলায় থাকা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে ওঠে। তাই শেষপর্যন্ত তাঁরা বিচ্ছেদের পথে হাঁটারই সিদ্ধান্ত নেন। তবে হংসিকা নাকি কোনও খোরপোশ নিচ্ছেন না সোহেলের থেকে।
আরও পড়ুন:
দম্পতির বন্ধুবান্ধব, পরিবার বহু বার মধ্যস্থতা করে সব মিটমাট করার চেষ্টা করেন তাঁদের মধ্যে। কিন্তু বহু চেষ্টার পরেও তাঁদের মধ্যে বোঝাপড়া হয়নি। হংসিকা ও সোহেল বিয়ে করেছিলেন ২০২২-এর ৪ ডিসেম্বর। ২০২৪ সালের ২ জুলাই থেকে তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন।
উল্লেখ্য, সোহেলকে বিয়ে করার পরে হংসিকা এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “কাউকে বিশ্বাস করে উঠতে আমার দীর্ঘ সময় লাগে। আমি প্রেমে পড়ি, কিন্তু প্রেম প্রকাশে ততটা স্বচ্ছন্দ নই। সত্যি বলতে, কারও সঙ্গে সারা জীবনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হতে অনেকটা সময়ের প্রয়োজন হয়। সোহেলের জন্য ভালবাসার প্রতি বিশ্বাস ফিরে আসে। হয়তো ঈশ্বরের তেমনটাই ইচ্ছে ছিল।”