স্কুলে স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন হয়, অফিসও সাজানো হয় এমন দিনে। তা হলে বাড়িটি বা বাদ যায় কেন? খুদে সদস্যটিকে সঙ্গে নিয়ে বরং খুব সহজে সাজিয়ে ফেলুন ঘর থেকে বারান্দা। কেমন হবে সেই সাজ?
স্বাধীনতা দিবসের সাজসজ্জায় প্রাধান্য পায়, ভারতের জাতীয় পতাকার তিন রং। গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ। তা দিয়েই তৈরি হোক ফুল থেকে পাখি।
পাখি
কার্ড বোর্ড জিয়ে পাখি বানিয়ে রঙিন কাগজ কেটে জুড়ে তৈরি করতে পারেন পাখি। ছবি: সংগৃহীত।
দোকানে গেরুয়া, সবুজ রঙের মার্বেল পেপার পাওয়া যায়। সাদা কাগজ হাতের কাছেই থাকে। তা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ছোট থেকে বড় নানা রকম পাখি। খুদেকেই এই কাজে সঙ্গে নিন। বাড়ির একটি দেওয়ালে গেরুয়া, সাদা, সবুজ— এমন ভাবেই পাখিগুলি সাজিয়ে দিন।কার্ডবোর্ডে পাখি এঁকে, গেরুয়া, সাদা, সবুজ কাগজ কুঁচিয়ে, আঠা দিয়ে লাগিয়েও পাখি বানানো যায়।
ফুল: ছোট থেকে বড় নানা রকম ফুল বানিয়ে নিন তিন রঙ দিয়ে। রঙিন কাগজ দিয়ে ইচ্ছামতো কায়দায় ফুল বানিয়ে নিতে পারেন। একটি সুতোয় নির্দিষ্ট দূরত্ব অন্তর সেটি আঠা দিয়ে আটকে বারান্দায় ঝুলিয়ে দিতে পারেন।
রকমারি ফুল দিয়ে সাজিয়ে নিতে পারেন ঘর। ছবি: সংগৃহীত।
বেলুন: গেরুয়া, সাদা, সবুজ বেলুন দিয়েও ঘর থেকে বারান্দা সাজিয়ে নিতে পারেন। স্বাধীনতা দিবসের দিনটিতে অন্য রকম লাগবে ঘরের পরিবেশ।
শিকলি: তিন রঙের কাগজ দিয়ে শিকলি বানিয়ে ঘরে ঝুলিয়ে দিলেও কিন্তু দেখতে ভালই লাগবে। দরজা কিংবা বারান্দায় শিকলি দিয়ে তোরণ বানাতে পারেন।
আসবাবের রং: বিছানার চাদর, বালিশেও সাদা, সবুজ এবং গেরুয়ার ছোঁয়া রাখতে পারেন। সোফার কুশনও সাজাতে পারেন তিন রঙে। রঙিন ওড়না দিয়ে কুশনের কভার তৈরি করতে পারেন।
তিরঙ্গা ফুল, পাখি, পতাকা-সহ ঘর সাজানোর অনেক জিনিস কিনতে পাওয়া যায়। হাতে সময় কম থাকলে, কেনা জিনিসেও বাড়িটি চট করে সাজিয়ে নিতে পারেন।