গরমে ঘেমেনেয়ে রান্না করা যে কতটা কষ্টের, যাঁদের নিয়মিত রাঁধতে হয়, তাঁরাই জানেন। গরম যতই বাড়ুক, রান্না-খাওয়া তো বন্ধ হতে পারে না! তবে খানিক স্বস্তি যাতে মেলে, সেই জন্য গরমের উপযোগী করে সাজাতে পারেন হেঁশেল, পরামর্শ দিলেন জনপ্রিয় রন্ধনশিল্পী সঞ্জীব কপূর।
১। রান্নাঘর জবরজং থাকলে, আরও ছোট দেখায়। জিনিসপত্রের ভিড়ে কাজের জিনিসটি মেলে না। প্রথমেই রান্নাঘর ভাল করে পরিষ্কার করা দরকার। অব্যবহৃত জিনিসগুলি নাগালের বাইরে সরিয়ে ফেলুন। গরমের রান্নার জন্য যেগুলি হাতের কাছে প্রয়োজন, সেগুলিকেই রাখুন।
২। আলো-হাওয়া খেললে, রান্নাঘরে গরম কম হবে। জানলা আটকে থাকা জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলুন। রান্নাঘরের জিনিসপত্রগুলির জায়গাও খানিক অদলবদল করতে পারেন। হেঁশেলের তাক, জিনিসপত্র রাখার টেবিল থাকলে, সেগুলিও প্রয়োজন মাফিক বদলে দিন। এতে প্রতি দিন একই জিনিস একই ভাবে দেখার একঘেয়েমি কাটবে।
৩। জানলায় থাক সবুজের ছোঁয়া। রান্নাঘরের যে জানলায় রোদ বা আলো হাওয়া আসে, সেখানে পুদিনাপাতা, ধনেপাতা বা ছোটখাটো সব্জি ফলাতে পারেন। সবুজের ছোঁয়ায় ক্লান্তি কাটবে। হেঁশেলও সুন্দর দেখাবে।
৪। গরমের মরসুমে বদল আনা যেতে পারে বাসনপত্রেও। কাপ, থেকে শৌখিন পাত্র, সিলিকনের খুন্তি হতেই পারে রঙিন। হালকা গোলাপি, হালকা সবুজ রংগুলি মানানসই হতে পারে। বাসনকোসন পরিপাটি থাকলে, রান্নাঘরেও মন ফুরফুরে লাগবে।
৫। হেঁশেলের বাইরেও থাকতে পারে সবুজের ছোঁয়া। কৃত্রিম বা টাটকা যে কোনও লতাপাতা বা ফুল দিয়ে রান্নাঘরের বাইরেটা সাজাতে পারেন। তবে যেখানে গাছ বা ফুল সাজানো হচ্ছে, তার চারপাশটাও যেন পরিচ্ছন্ন থাকে।