আইসক্রিম ছোটদের অতি প্রিয়। কিন্তু যে সব শিশুর দুধ সহ্য হয় না, তারা কী খাবে? প্রাণিজ দুধে থাকে ল্যাক্টোজ় নামক শর্করা, যা অনেক শিশু সহ্য করতে পারে না। এদের বলা হয় ল্যাক্টোজ় ইনটলারেন্ট। শুধু ছোট নয়, এমন সমস্যা বড়দেরও হয়। কিন্তু দুধ ছাড়া ‘আইস’ হলেও, ‘ক্রিম’ হবে কী করে? সন্তানের মন জোগাতে কী করবেন মায়েরা?
বাদাম আইসক্রিম
বেশ কিছুটা কাজুবাদাম জল দিয়ে মিক্সারে বেটে নিন। যোগ করুন চিনি। বীজ ছাড়িয়ে খেজুর কুচিয়ে মিশিয়ে দিন এতে। মিশ্রণটি বরফের ট্রে-তে জমিয়ে নিন। জমাট বাঁধার পরে সেটি আবার মিক্সারে দিয়ে ঘোরাতে হবে। এতে আইসক্রিম ক্রিমের মতোই হবে, ঠান্ডা হওয়ার পরেও নরম ভাব বজায় থাকবে। দ্বিতীয় বার মিক্সারে ঘুরিয়ে নেওয়ার পরে বাদামের মিশ্রণ আইসক্রিম তৈরির ছাঁচে ঢেলে জমিয়ে নিন।
নারকেল আইসক্রিম
প্রাণিজ দুধে ল্যাক্টোজ় থাকলেও, নারকেলের দুধ ল্যাক্টোজ় মুক্ত। নারকেলের দুধ দিয়েই আইসক্রিম বানান। নারকেলের টুকরো জল দিয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। সেটি ছেঁকে নিলেই পাওয়া যাবে দুধ। এবার মিক্সারে একটি কলা, খোসা ছাড়ানো একমুঠো কাঠবাদাম, গুড় একসঙ্গে মিশিয়ে ঘুরিয়ে নিন। মিশ্রণটি ফ্রিজে রেখে জমিয়ে নিন। তার পর আবার মিক্সারে দিয়ে ঘুরিয়ে নিন। যোগ করুন নারকেল কোরা। নারকেলের খালি মালাতেই আইসক্রিম জমাতে পারেন। আবার আইসক্রিমের ছাঁচও ব্যবহার করতে পারেন।
চকোলেট আইসক্রিম: ওট্স জলে ভিজিয়ে রাখুন। তার পর আরও কিছুটা জল দিয়ে তা ঘুরিয়ে নিন। ছেঁকে নিলেই মিলবে ওট্স দুধ। ওট্স দুধের সঙ্গে ভিজিয়ে রাখা কাজু-আমন্ড, ডার্ক চকোলেট, মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ঘুরিয়ে নিন। জমিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে চকোলেট আইসক্রিম।