Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

এইচআইভি নিয়ে চিন্তায় করিমগঞ্জ

মিজোরাম-নাগাল্যান্ড-মেঘালয় থেকে করিমগঞ্জে আসা অনেকের দেহে মিলছে এইচআইভি-র জীবাণু। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এইচআইভি সংক্রমণের ক্ষেত্রে অসমের মধ্

শীর্ষেন্দু শী
করিমগঞ্জ ২২ এপ্রিল ২০১৫ ০২:১৩
Save
Something isn't right! Please refresh.
Popup Close

মিজোরাম-নাগাল্যান্ড-মেঘালয় থেকে করিমগঞ্জে আসা অনেকের দেহে মিলছে এইচআইভি-র জীবাণু। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এইচআইভি সংক্রমণের ক্ষেত্রে অসমের মধ্যে করিমগঞ্জের অবস্থান চতুর্থ। প্রতি মাসেই এখানকার ৪-৫ জনের দেহে মিলছে এইচআইভি। আপাত দৃষ্টিতে এই হিসেব নগণ্য বলে মনে হলেও, স্বাস্থ্য বিভাগ এতে চিন্তিত। সে দিকে তাকিয়েই এইচআইভি সংক্রমণ রুখতে করিমগঞ্জে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। করিমগঞ্জের ‘ইন্টিগ্রেটেড কাউন্সিলিং এন্ড টেস্টিং সেন্টার’-এর (আইসিটিসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ সালে জেলার ৪৮ জনের দেহে ওই জীবাণু মিলেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহিলারাও। এই সমীক্ষার জন্য ৫৭৫ জনের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছিল। স্বাস্থ্যকর্তারা জানিয়েছেন, এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে করিমগঞ্জ জেলায় তা আরও ছড়াতে পারে। আইসিটিসি নথিতে জানানো হয়েছে, কাজের সন্ধানে যাঁরা করিমগঞ্জ থেকে মিজোরাম-মেঘালয় বা নাগাল্যান্ডে গিয়েছিলেন, মূলত তাঁরাই সেখান থেকে রোগ বহন করে নিয়ে আসছেন। এ জন্য সচেতনতার অভাবকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা।

করিমগঞ্জে কয়েকজন গর্ভবতী মহিলার দেহেও এই রোগের জীবাণু মিলেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ তাঁদের উপর নজর রেখে চলেছে। কিন্তু তার পরও শিশুর দেহে রোগ সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যায়। করিমগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে এইচআইভি আক্রান্ত দুই মহিলার প্রসব করানো হয়েছে। ১৮ মাস সম্পূর্ণ হওয়ার আগে শিশুদের দেহে সংক্রমণ হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই এখনও তাদের বিষয়ে তেমন কোনও তথ্য করিমগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নেই। জেলায় নথিভুক্ত কোনও যৌনকর্মী না থাকলেও, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রতি মাসেই দু’একজন করে মহিলাকে রক্ত পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠাচ্ছে। দেহ ব্যবসায় জড়িত করিমগঞ্জ শহরের এক মহিলার দেহে এইচআইভি জীবাণু মিলেছে। এই বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে উদ্বেগজনক। কারণ রোগাক্রান্ত ওই মহিলার থেকে সংক্রমণ আরও ছড়ানোর আশঙ্কা থাকছে। কেন্দ্রীয় সরকার এ সব ক্ষেত্রে রোগাক্রান্ত মহিলাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করলেও অসমের ছবিটা অন্য।

এইচআইভি সংক্রমণ চিহ্নিত করতে পাথারকান্দিতে গত ৫ এপ্রিল থেকে এফআইটিসি (ফাস্ট ইন্টিগ্রেটেড কাউন্সিলিং এন্ড টেস্টিং সেন্টার) চালু হয়েছে। সেখানেও মিলেছে এইচআইভি আক্রান্ত রোগী। তা ছাড়া করিমগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রান্তের রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য শিলচর মেডিক্যাল কলেজে ভিড় জমাচ্ছেন। প্রশাসনিক নথি জানিয়েছে, অসমের কামরূপ, কাছাড়, নগাঁও, করিমগঞ্জ জেলায় এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা অন্য জেলার থেকে বেশি। সাধারণ মানুষ সচেতন না হলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement