Advertisement
E-Paper

আউটডোর শুটিংয়ে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে যান, দাম্পত্যসুখ টিকিয়ে রাখতে আর কী কী করেন মাধবন?

১৯৯৯ সালে বিয়ে করেন, ২০০৫ সালে পুত্রসন্তানের বাবা-মা হন আর মাধবন এবং তাঁর স্ত্রী সরিতা বিরজে। ২৬ বছরের বিবাহিত জীবনে অনেক ওঠাপড়া দেখছেন মাধবন। দাম্পত্যজীবনে সুখী হওয়ার রহস্য কী, নিজেই জানিয়েছেন অভিনেতা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ১৮:৪৮
আর মাধবন এবং তাঁর স্ত্রী সরিতা বিরজে।

আর মাধবন এবং তাঁর স্ত্রী সরিতা বিরজে। ছবি: সংগৃহীত।

দাম্পত্যের ২৬ বছর পূর্ণ করে ফেলেছেন আর মাধবন এবং তাঁর স্ত্রী সরিতা বিরজে। বরাবরই ‘ফ্যামিলি ম্যান’ হিসাবে পরিচিত মাধবন। যদিও তাঁর মহিলা অনুরাগীর সংখ্যা অন্য তারকাদের ঈর্ষান্বিত করে! বিয়ে করেই নায়ক হয়েছেন মাধবন। এত বছরের দাম্পত্য, তারও আগে প্রায় ৮ বছরের প্রেম। সরিতা বিমান সেবিকা হতে চেয়েছিলেন। সরিতার শিক্ষক ছিলেন মাধবন। বিমান সেবিকা হওয়ার প্রশিক্ষণের ক্লাসেই সরিতার সঙ্গে আলাপ হয় অভিনেতার। তবে মাধবনের মতে, ছাত্রীর সঙ্গে কখনওই প্রেমের সম্পর্কে জড়াননি তিনি। পড়াশোনা শেষ করার পরেই প্রেমালাপের পর্ব শুরু হয় তাঁদের। ১৯৯৯ সালে বিয়ে করেন, ২০০৫ সালে পুত্রসন্তানের বাবা-মা হন তাঁরা। ২৬ বছরের বিবাহিত জীবনে অনেক ওঠাপড়া দেখছেন মাধবন। দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার রহস্য কী, নিজেই জানিয়েছেন অভিনেতা।

মাধবনের মতে, দাম্পত্য জীবনের সবচেয়ে জরুরি বিষয় হল একে অপরকে শ্রদ্ধা করা। এক সাক্ষাৎকারে মাধবন বলেন, “অন্য যে কোনও দম্পতির মতোই আমাদের মধ্যেও ঝগড়া-বিবাদ হয়। তবে একে অপরের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা কখনও কমেনি। সারিতার কাছে আমি একজন জাতীয় তারকা বা অভিনেতা নই, আমার স্ত্রী বলেই ও নিজেকে ভাগ্যবান মনে করতে হবে, এমনটাও নয়। ও ভাল করে জানে, বহু বছর আগে যে ছেলেটা ওর প্রেমে পড়েছিল, যে ওকে সম্মান করে, ও সেই ছেলেটারই জীবনসঙ্গী।’’

চলচ্চিত্র জগতে কাজ করার পাশাপাশি বিবাহিত জীবনকে কী ভাবে সামলাবেন, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য মাধবন পরিচালক মণি রত্নমকেও কৃতিত্ব দিয়েছেন। মণি রত্নমের পরামর্শ স্মরণ করে অভিনেতা বলেন, “তিনি বলেছিলেন যে, অনেক দম্পতিই অকারণে নিজেদের সম্পর্কের ওপর এমন চাপ সৃষ্টি করেন, যা শেষ পর্যন্ত সম্পর্কটিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। আমি বুঝতে পেরেছিলাম, কোন কোন ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। যেমন ধরুন, আউটডোর শুটিংয়ের সময় সুন্দরী অভিনেত্রীদের সান্নিধ্যে থাকার ব্যাপারে স্ত্রীর সমস্যা হতে পারে। তাই আমি যেখানেই যেতাম, সারিতাকে সঙ্গে নিয়ে যেতাম। এর ফলে, বিভিন্ন অভিনেত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতার সময় সে-ও আমার পাশে থাকত। আর একটা দিকও আছে। কাজের সুবাদে শহরের বাইরে থাকার সময় আমাকে কখনওই একাকিত্ব অনুভব করতে হয়নি। সারিতা যখন আমাকে কোনও রোম্যান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে দেখে, তখন সে ভাল ভাবেই জানে যে, এর পিছনের আবেগ বা অনুভূতিগুলো মোটেও বাস্তব নয়।”

Relationship Tips R Madhavan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy