নিরন্তর নেটমাধ্যমে খারাপ খবর খুঁজে চলা। পোশাকি নাম ‘ডুমস্ক্রোলিং’। ২০২০ সালে অক্সফোর্ডের অভিধানে জায়গা করে নিয়েছে এই শব্দ।
অতিমারির পর থেকে তীব্র গতিতে বাড়ছে এই ‘ডুমস্ক্রোলিং’। এমনই বলছে হালের সমীক্ষা।
সম্প্রতি ৬০০০ জার্মান নাগরিকের উপর একটি সমীক্ষা চালানো হয়। দেখা গিয়েছে, অতিমারি শুরুর পর থেকেই তাঁদের মধ্যে নেটমাধ্যমে খারাপ খবর খোঁজার প্রবণতা বেড়েছে। তবে শুধু জার্মানি বা ইউরোপ নয়, এমন প্রবণতা বেড়েছে সারা পৃথিবী জুড়েই। তেমনই বলছে ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম’এর সমীক্ষা।
যাঁদের মধ্যে এই প্রবণতা বাড়ছে, তাঁরা অনেকেই অবসাদে ভুগছেন এবং ব্যাপক মাত্রায় ঘুম কমে যাচ্ছে।
কী এই ‘ডুমস্ক্রোলিং’?
রাস্তায় যেতে যেতে দুর্ঘটনা দেখলে বেশির ভাগ মানুষই দাঁড়িয়ে যান বা গতি কমিয়ে দেন। চার পাশে খারাপ কিছু ঘটছে কি না, সে সম্পর্কে অবগত থাকার প্রবণতা থেকেই এটি হয়। এটাই যখন নেটমাধ্যমে এসে হাজির হয়, তখন তাকে ‘ডুমস্ক্রোলিং’ বলে। নেটমাধ্যমে ‘স্ক্রোল’ করতে করতে বারবার খারাপ খবর দেখে দাঁড়িয়ে পড়া। শুধু তাই নয়, ওই ধরনের খবর খুঁজতে থাকা। এটাই ‘ডুমস্ক্রোলিং’।
অতিমারির আগে কি ছিল এটি?
সমাজতাত্ত্বিকরা বলছেন, অবশ্যই ছিল। কিন্তু অতিমারির সময়ে তা ব্যাপক আকারে বেড়েছে। বহু মানুষ এখন প্রায় নেশাগ্রস্তের মতো নেটমাধ্যমে খারাপ খবর খুঁজতে থাকেন।
আরও পড়ুন:
খারাপ খবরের প্রতি আগ্রাহের কারণে কী ক্ষতি হচ্ছে?
এর ফলে কী কী হয়?
মূলত ঘুম কমে যায়। উদ্বেগ এবং অবসাদের মাত্রা বাড়তে থাকে। এর পরিমাণ বাড়তে থাকলে মানসিক চাপ বাড়ে। স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।
কী ভাবে এ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়?
মোবাইল ফোনের ব্যবহার, এবং একই সঙ্গে নেটমাধ্যমের ব্যবহার কমিয়ে। রাতে ঘুমানোর আগে বই পড়ুন। ফোন ঘাঁটবেন না।