Advertisement
E-Paper

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে উল্লাসে মাতলেন খামেনেইয়ের ছবি পুড়িয়ে সিগারেট ধরিয়ে ভাইরাল সেই তরুণী, ভিডিয়ো প্রকাশ্যে

এই বছরের গোড়াতেই খামেনেইয়ের জ্বলন্ত ছবি ব্যবহার করে সিগারেট জ্বালিয়ে মর্টিসিয়া আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। ক্লিপটি দ্রুত বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ইরানে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভের সময় তাঁর এই ছবিটিকে প্রতীকী হিসাবে ব্যবহার করেছিল তরুণ প্রজন্ম।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ মার্চ ২০২৬ ১২:০৪

ছবি: সংগৃহীত।

আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের ছবি পুড়িয়ে সিগারেট ধরিয়ে সারা বিশ্বে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিলেন ইরানি তরুণী। ইজ়রায়েলি হামলায় খামেনেই নিহত হওয়ার পর রাস্তায় নেমে উল্লাস প্রকাশ করলেন তিনি। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর খবর পেয়ে রীতিমতো উল্লসিত তিনি। সমাজমাধ্যমে ‘মর্টিসিয়া অ্যাডামস’ ছদ্মনামে পরিচিত তরুণী এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসতেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদি‌ও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

এই বছরের গোড়াতেই খামেনেইয়ের জ্বলন্ত ছবি ব্যবহার করে সিগারেট জ্বালিয়ে মর্টিসিয়া প্রথম আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। ক্লিপটি দ্রুত বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের সময় তাঁর এই ছবিটিকে প্রতীকী হিসাবে ব্যবহার করেছিল তরুণ প্রজন্ম। সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে মর্টিসিয়া বর্তমানে কানাডার বাসিন্দা। কানাডায় ইরানি সরকার-বিরোধী সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সমাবেশের সেই ভিডিয়োটি পোস্ট করে তরুণী সমাজমাধ্যমে মৃত ইরানি সুপ্রিম লিডারের উদ্দেশে লিখেছেন, ‘‘আমি বলেছিলাম না, আমরা তোমার কবরে নাচব।’’ তার পর আরও একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এনে মর্টিসিয়া লিখেছেন, ‘‘উল্লাস। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ইঁদুরেরর মতো গর্ত থেকে খুঁজে বার করে খামেনেইকে হত্যা করা হবে। বাস্তবে তা-ই হয়েছে।’’ ভিডিয়োটি পোস্ট করার পর তাতে প্রায় সাড়ে ন’হাজারের মতো লাইক পড়েছে। বহু মানুষই মর্টিসিয়ার সমর্থনে তাঁদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

তরুণী জানিয়েছিলেন, ভিন্নমতালম্বী হওয়ার কারণে তাঁকে ছদ্মনাম ব্যবহার করতে হয়। পরিচয় গোপন রাখার জন্য এই ব্যবস্থা। অনলাইনে আগের বিবৃতিতে তিনি দাবি করেছিলেন যে ,ইরানের সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করার জন্য তাঁকে আটক করা হয়েছিল। অত্যাচারের ভয়ে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। প্রথমে তুরস্ক এবং পরে ছাত্র ভিসার সাহায্যে কানাডার টরন্টোয় থিতু হয়েছেন মর্টিসিয়া।

Iran Ayatollah Khomeini
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy