পুজোর মুখে ভাদ্রের দাবদাহ যেমন সঙ্গী, তেমনই সঙ্গী হঠাৎ হওয়া নিম্নচাপ থেকে বৃষ্টি। এর আগে গ্রীষ্ম ও বর্ষা জুড়ে এমন আবহাওয়ায় রোদের হাতে জখম হয় ত্বক। কড়া রোদের দাপটে ত্বকে ট্যান পড়াটা খুব স্বাভাবিক বিষয়। অনেকেই ভাবেন, অ্যান্টি ট্যানের কোনও ট্রিটমন্ট বা ফেসিয়ালেই মুক্তি মিলবে সহজে।

কিন্তু এতে বাদ থেকে যায় ত্বকের স্বাস্থ্যের ভাবনা। রাসায়নিক নানা উপাদানের ফেসিয়াল কিট ব্যবহার করার চেয়ে  প্রাকৃতিক উপায়ে এই রোদে পোড়া ত্বককে আয়ত্তে আনতে পারেন সহজে। পুজোর মুখে ত্বকের পুড়ে যাওয়া ট্যান একেবারে প্রাকৃতিক উপায়ে সরানোর পরামর্শ দিলেন রূপবিশেষজ্ঞ শর্মিলা সিংহ ফ্লোরা।

অনেকেই ত্বকে গরম জল দেন, এটা ত্বকের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বরং সব সময়ই ঠান্ডা জলে মুখ ধোয়া আবশ্যিক। রোদের প্রভাবে ত্বকে ট্যান পড়লে, তখনও বরফ জল বা বরপের কুচি মুখে ঘষে নিলে ত্বকের ক্ষতি অনেকটা রোখা যায়। এ ছাড়া আর কী কী প্রাকৃতিক উপায়ে ট্যান রোখা যায়, রইল হদিশ।

আরও পড়ুন: দাঁতের বিভিন্ন সমস্যায় নাকাল? এ সব অভ্যাসেই মিটতে পারে সমস্যা

টমাটো: এই সব্জি প্রাকৃতিক ট্যান প্রতিরোধক। রোদ থেকে ফিরে টমাটো কেটে রোদে পোড়া অংশে ভাল করে ঘষুন। কিছু ক্ষম রেখে শুকিয়ে গেলে বরফ ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন মুখ।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার: এক কাপ টান্ডা বরফ জলে মিশিয়ে নিন এক চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। এ বার একটি পরিষ্কার সুতির কাপড় সেই মিশ্রেয় ভিজিয়ে নিয়ে রোদে পোড়া অংশ ভাল করে মুছে নিন। রোদে লাল হয়ে যাওয়া ত্বক আরাম পাবে ও ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।

মধু: মধু প্রাকৃতিক ভাবেই অ্যান্টিসেপ্টিক ক্ষমতাসম্পন্ন। রোদে পোড়া ত্বকে মধু লাগিয়ে রেখে দিন কিছু ক্ষণ। ত্বক টানতে শুরু করলে বরফ জলে তা ধুয়ে নিন।

আরও পড়ুন: এই নিয়মে পুজোর আগে এক মাসেই কমবে মেদ, চেহারায় আসবে জেল্লা

অ্যালো ভেরা আইস কিউব: অ্যালো ভেরা জেল ও বরফের মিশ্রণে ত্বকের আরাম হয়। অ্যালো ভেরা জেল ও জল একসঙ্গে মিশিয়ে আইস কিউব তৈরি করে নিন। রোদে ত্বক পুড়ে গেলে সেই অংশে ধীরে ধীরে ঘষতে থাকুন। নিয়মিত এই অভ্যাসে ত্বকের রোদে পোড়া অংশ সারবে ধীরে ধীরে।

কালো চা: ট্যান সরাতে কার্যকরী কালো চায়ের ব্যাগ। চা তৈরি হয়ে গেলে সেই ব্যাগ ফ্রিজে রাখুন। ঠান্ডা টি ব্যাগ চেপে চেপে লাগিয়ে নিন ত্বকের পুড়ে যাওয়া অংশে। ত্বকের জ্বালাপোড়া কমে নরম তো হবেই, সঙ্গে ট্যানও সরবে দ্রুত।