Advertisement
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Coma

মা কোমায় থেকেও সুস্থ সন্তানের জন্ম দিলেন, সাত মাস ধরে হাসপাতালে সংজ্ঞাহীন সাফিনা

দুর্ঘটনার সময় ৪০ দিনের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। বুলন্দশহরে প্রাথমিক চিকিৎসা হয় তাঁর। ১ এপ্রিল দিল্লি এমসের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। তার পর থেকে তরুণীর স্নায়ুর অস্ত্রোপচার হয়েছে চার বার।

দিল্লির এমসে সুস্থ কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন ২৩ বছরের তরুণী, যিনি কোমায় রয়েছেন।

দিল্লির এমসে সুস্থ কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন ২৩ বছরের তরুণী, যিনি কোমায় রয়েছেন। ছবি: প্রতীকী

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২২ ১৫:০৬
Share: Save:

সাত মাস ধরে কোমায় রয়েছেন মা। একটি পথ দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন। সেই থেকে হাসপাতালে ভর্তি তিনি। কোনও জ্ঞান নেই। গত সপ্তাহে দিল্লির এমসে সুস্থ কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন ২৩ বছরের সেই তরুণী।

তরুণীর নাম সাফিনা। দুর্ঘটনার সময় ৪০ দিনের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন তিনি। বুলন্দশহরে প্রাথমিক চিকিৎসা হয় তাঁর। এর পর গত ১ এপ্রিল দিল্লি এমসের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। তার পর থেকে তরুণীর স্নায়ুর অস্ত্রোপচার হয়েছে চার বার। ২২ অক্টোবর স্বাভাবিক ভাবেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সাফিনা।

তরুণী যখন ১৮ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা, তখন আল্ট্রাসাউন্ড করে দেখা গিয়েছে, তাঁর গর্ভস্থ সন্তান সুস্থ রয়েছে। এর পরেই তরুণী শিশুর জন্ম দিতে পারবেন কি না, সে নিয়ে আলোচনা শুরু করেন চিকিৎসকরা। নিউরোসার্জেন দীপক গুপ্তা জানিয়েছেন, তরুণীর জ্ঞান ফেরার সম্ভাবনা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। চিকিৎসকের কথায়, ‘‘প্রথম এবং দ্বিতীয় ট্রিমেস্টার চলাকালীন অনেক বার আলোচনা হয়েছে। মায়ের জ্ঞান নেই। এই পরিস্থিতিতে তিনি কি সন্তানের জন্ম দিতে পারেন, না কি গর্ভপাত করানো হবে, এই নিয়ে আলোচনা করেছি। আল্ট্রাসাউন্ড করার পর যখন দেখি, ভ্রূণ সুস্থ রয়েছে, তখন আমরা পরিবারকে গোটা বিষয়টি জানাই।’’

যদিও সাফিনা সন্তানের জন্ম দেবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত তাঁর পরিবারের উপরই ছেড়ে দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। দীপকের কথায়, ‘‘সাফিনা সন্তানের জন্ম দেবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত পরিবারকেই নিতে বলি। পরিবার শিশুটিকে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এমসে আমার ২২ বছরের কেরিয়ারে এ রকম ঘটনা দেখিনি।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE