গর্তে পড়ে আর কোনও শিশুর যাতে মৃত্যু না হয় সেই লক্ষ্যে একটি যন্ত্র আবিষ্কার করলেন তামিলনাড়ুরএক যুবক। বছর সাতচল্লিশের আব্দুল রজ্জাক নামে এক ব্যক্তি ইতিমধ্যে হাতেকলমে এই যন্ত্রের কার্যকারিতা দেখিয়েছেন। তিনি বড় পাইপের মধ্যে একটি পুতুল ঢুকিয়ে সেটিকে তুলে দেখিয়েছেন এই যন্ত্রের সাহায্যে। সেই ছবিগুলি টুইটারে পোস্ট করেছে সংবাদ সংস্থা এএনআই।

রবিবার হরিয়ানার কার্নাল জেলার ছোট্ট শিবাণী খেলতে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে তার পরিবারের লোকেরা বাড়ির কুয়োতে শিবানীকে দেখতে পান। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি। তার দিন চারেক আগে একই রকম ঘটনায় তামিলনাড়ুর ত্রিচিতে সুজিত নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। প্রায় ৮০ ঘণ্টা ধরে চেষ্টা চলিয়েও জীবিত উদ্ধার করা যায়নি শিশুটিকে।

ত্রিচির ঘটনার পরেই তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের আবিষ্কারক আব্দুল রেজ্জাক এমন একটি যন্ত্র বানানোর চেষ্টা করেন যাতে শিশুরা গর্তে পড়ে গেলেও তাদের দ্রুত বের করে আনা যায়। সেই মতো তিনি একটি যন্ত্র তৈরিও করে ফেলেন।

আরও পড়ুন: বিএমডাব্লিউ-র দামে বিক্রি হল একটি মাত্র কাঁকড়া!

আব্দুলের যন্ত্রটি অনেকটা উল্টানো ছাতার মতো কাজ করবে। অর্থাত্ সেটিকে গর্তে শিশুর কাছ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর সেখানে এমন ভাবে খুলে যাবে যাতে শিশুটিকে তাতে তুলে আনা যায়।

আরও পড়ুন: নুড প্যান্টসুটে বিশ্বকাপের ট্রফি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে করিনা কপূর

ডেমনস্ট্রেশনের তিনটি ছবি প্রকাশ করেছে এএনআই। সেই সঙ্গে আব্দুল রেজ্জাকের একটি ছবিও পোস্ট করা হয়েছে। পোস্টটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। প্রচুর ইউজার তাঁর এই প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন, সেই সঙ্গে রিটুইটও করেছেন পোস্টটি।

এএনআই-এর সেই টুইট: