• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

তিন মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়াই এখন চ্যালেঞ্জ রাহুলের

Rahul Gandhi
তিন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ঘোষণা করেননি রাহুল গাঁধী। ছবি: এএফপি।

পঞ্জাবে তাও ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিংহ ছিলেন। কিন্তু বিজেপির শত খোঁচাতেও তিন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ঘোষণা করেননি রাহুল গাঁধী। সে কাজটিই এ বারে তাঁকে করতে হবে। রাহুলের দাবি, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ে সমস্যা হবে না। মসৃণ ভাবেই কাজ হবে।’’

যদিও তাঁর দলের নেতারাই বলছেন, ‘‘এ কাজটিও সহজ নয় রাহুলের কাছে।’’ কেন? কংগ্রেস সূত্রের দাবি, রাজস্থানে ভোটের আগে সংঘাত হয়েছে অশোক গহলৌত, সচিন পাইলটের। মধ্যপ্রদেশে দিগ্বিজয় সিংহের সঙ্গে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার লড়াই তো প্রকাশ্যেই চলে এসেছিল। আর ছত্তীসগঢ়ে কাকে ছেড়ে কাকে মুখ করবেন, তা নিয়ে দ্বিধা থাকায় সে রাজ্যেও কোনও মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী ঘোষণা করেননি রাহুল। তবে দলীয় সূত্র বলছে, রাজস্থানে পাইলটের থেকেও পাল্লা ভারী গহলৌতের। মধ্যপ্রদেশে সিন্ধিয়ার থেকেও সম্ভাবনা বেশি কমল নাথের। আর ছত্তীসগঢ়ে টি এস সিংহদেও, তমরধ্বজ সাহু আর ভূপেশ বাঘেলের মধ্যে কেউ এক জন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। 

কিন্তু কংগ্রেসের নেতারাই জানাচ্ছেন, বিতর্ক এতেও থামছে না। রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার জন্য গহলৌত চাইছিলেন, কংগ্রেসের আসনে রাশ টেনে ধরতে। যাতে ভোটের পরে তাঁর কদর থাকে। বারো জন নির্দলের মধ্যে দশ জনই গহলৌতের সমর্থক। এখন কংগ্রেসের যা আসন সং‌খ্যা তাতে ছোট ছোট দলগুলিকেও সঙ্গে নিয়ে চলার জন্য গহলৌতের মতো অভিজ্ঞ নেতার প্রয়োজন। কিন্তু ঘনিষ্ঠ মহলে রাহুল আজ জানিয়েছেন, ‘‘এর মানে এই নয়, সচিন পাইলট তাঁর যোগ্য মর্যাদা পাবেন না।’’ আজ সকাল থেকে গহলৌত, পাইলট দফায় দফায় আলাদা সাংবাদিক বৈঠক করেন। কিন্তু রাহুল নির্দেশ দেন, একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করতে। যার ঠেলায় রাতে জয়পুরে দু’জনে আবার একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন। কাল দু’দফায় বৈঠকও ডাকা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করতে।

আরও পড়ুন: থেমে গেল নরেন্দ্র মোদীর বিজয়রথ! সেমিফাইনালে ধাক্কা মোদীত্বে

মধ্যপ্রদেশে কমল নাথের পাল্লা ভারী থাকলেও সিন্ধিয়াও দাবিদার। দিগ্বিজয় সিংহ কমলের পাশে রয়েছেন। আজ সকালেই কমলের বাড়ি চলে যান দিগ্বিজয়। দিগ্বিজয়কে গোটা প্রচারে একেবারে আলোর বাইরে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাহুল। কারণ, দিগ্বিজয় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, সেই সময়ের কোনও ‘খারাপ স্মৃতি’ মানুষকে মনে করাতে চাননি রাহুল। সেই কৌশল কাজে দিয়েছে বলে মনে করছেন কংগ্রেস নেতারা। এআইসিসি দফতরে দাঁড়িয়ে এক নেতা বলেন, ‘‘বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভে মানুষ কংগ্রেসকে ভোট দিতে চেয়েছিল। কিন্তু দলের মধ্যে লড়াই না হলে আরও ভাল ফল হতো।’’ 

ছত্তীসগঢ়ে গোটা ভোট প্রচারে কংগ্রেসের একমাত্র মুখ ছিলেন রাহুলই। কিন্তু দলের মধ্যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা টি এস সিংহদেও-র নামই সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভেসে আসছিল। দলীয় সূত্রের খবর, রাহুল অনগ্রসর শ্রেণির নেতা তমরধ্বজ সাহুকেও বেছে নিতে পারেন। রাজ্য সভাপতি ভূপেশ বাঘেলও রয়েছেন দৌড়ে।  

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন