টিন্ডার প্রোফাইলে আলাপ, তারপর আরও অনেক কিছু ৷ বিষয়টা নতুন কিছু নয় ৷ কিন্তু এইরকম সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে সম্পর্কের চক্করে পরে শারীরিক ও আর্থিক ভাবে নিঃস্ব হলেন এক মহিলা। ওই মহিলা পেশায় একজন চিকিৎসক। টিন্ডার অ্যাপে একজন ব্যক্তি নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে তিন বছর ধরে ওই মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাঁকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ।

সম্প্রতি ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে হায়দরাবাদ পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম গোল্লালাদোদ্দি আবদুল্লা। তিনি পেশায় একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। ২৮ বছরের ওই যুবক হায়দরাবাদের কুকাটপল্লির একটি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নির্মাণ সংস্থায় তিনি কর্মরত।

বছর খানেক আগে টিন্ডার নামের একটি ডেটিং অ্যাপে অ্যাকাউন্ট খোলেন তিনি। সেখানে নিজেকে হায়দরাবাদ শহরের নামকরা বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক হিসাবে পরিচয় দেন । সেই ডেটিং প্রোফাইলে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম ছিল ডাক্তার জি কার্তিক রেড্ডি। ওই পরিচয় দিয়ে তিনি মহিলা চিকিৎসকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন। তার পর ক্রমেই একে অপরের ঘনিষ্ঠ হতে থাকেন তাঁরা।

ঘনিষ্ঠতার সুযোগে গত তিন বছরে ওই মহিলা চিকিৎসকের থেকে প্রায় চার লক্ষ টাকা আদায় করে নেন ওই ব্যক্তি। আর শারীরিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে নিজেদের ঘনিষ্ঠ অবস্থার ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করা শুরু করেন ওই মহিলাকে। পুলিশে অভিযোগ করার সময় ওই মহিলা জানিয়েছেন, ইদানীং টাকা না দিলে ছবি ফাঁস করার ভয় দেখাতেন ওই ইঞ্জিনিয়ার। ওই ব্যক্তির অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে তিনি গত বছর ডিসেম্বর মাসে সাইবার ক্রাইম বিভাগের শরণাপন্ন হন। তারপর অনুসন্ধান চালিয়ে চিকিৎসক পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

আরও পড়ুন: শপিং মল থেকে অপহরণ করে যুবতীকে সারা রাত ধর্ষণ করল ফেসবুক বন্ধুরা