সবাই শূন্য পাথর ছুড়ছেন। সেই পাথর এসে পড়ছে কারও না কারও গায়ে। রক্ত ঝড়ছে।

কিন্তু, তাও বিরাম নেই উপস্থিত আমজনতার। তাঁরা উৎসাহিত। তাঁরা আরও গতি বাড়াচ্ছেন। আরও বেশি বেশি করে পাথর উড়ে আসছে একে অপরের দিকে।

এই ছবি কিন্তু কাশ্মীর উপত্যকায় বিক্ষোভের নয়। এই ছবি হিমাচল প্রদেশের ধামির। শিমলা থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরের এক জায়গা।

এখানকার মানুষ কালী পুজোর পর এই পাথর ছোড়ায় অংশ নেন। বাদ যান না রাজপরিবারের প্রতিনিধিরাও।

 

 

কিন্তু, কেন এই রীতি?

আরও পড়ুন: যৌনাঙ্গে লাঠি, বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে নিজের প্রাক্তন স্ত্রীকে নৃশংস গণধর্ষণ

আরও পড়ুন: মন্দির-মসজিদ নয়, বিতর্কিত জমিতে শিশুদের জন্য মাঠ চাইছে অযোধ্যা​

কথিত আছে, এখানকার ধামি রানি মানুষের সেবায় কাজ করে গিয়েছেন আজীবন। তিনি মানুষকে সৎ পথে থাকার উপদেশ দিতেন। উপদেশ দিতেন আপদে-বিপদে মানুষের পাশে থাকার জন্য। তিনি কালীপুজোয় নরবলি প্রথা বিলোপ করতে শূন্যে পাথর ছোড়ার রীতি চালু করেন। নিয়ম হচ্ছে শূন্যে পাথর ছোড়া হবে যতক্ষণ না সেটা কারও গায়ে লেগে রক্তপাত ঘটায়।এই রক্তই উৎসর্গ করা হয় মা কালীকে। সেই রীতিই এখনও অনুসরণ করে আসছেন ধামির মানুষজন।

(কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, গুজরাত থেকে মণিপুর - দেশের সব রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদের দেশ বিভাগে ক্লিক করুন।)