দলে টানতে ১০০০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন ইয়েদুরাপ্পা, দাবি কর্নাটক বিধানসভায় বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়া নারায়ণ গৌড়ার। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দিতে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র কৃষ্ণরাজপেটের উন্নয়নের জন্য ৭০০ কোটি টাকা চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে ১০০০ কোটি টাকা দেন ইয়েদুরাপ্পা। সাধারণ মানুষের উন্নয়নে তিনি সেই টাকা খরচ খরচ করেছেন।

নিজের সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তৃতা করার সময় নারায়ণ গৌড়া বলেন, ‘‘একদিন ভোর ৫টায় আমাকে ইয়েদুরাপ্পার বাড়ি নিয়ে যান এক ব্যক্তি। তখন পুজো করছিলেন ইয়েদুরাপ্পা। তার পর আমাকে বসতে বললেন। বললেন, আমি সমর্থন করলে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন উনি। জবাবে কৃষ্ণরাজপেটের উন্নয়নের জন্যও ওঁর কাছ থেকে ৭০০ কোটি টাকা চাইলাম আমি। উনি বললেন আরও ৩০০ কোটি দেবেন।’’

ইয়েদুরাপ্পা তাঁর কথা রেখেছিলেন বলে জানিয়েছেন নারায়ণ গৌড়া। কিন্তু স্পিকার কেআর রমেশ বিদ্রোহী বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজ করে দেওয়ার পর, আর পাশে দাঁড়াননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘কথা মতো পরবর্তী কালে ওই টাকা কিন্তু দিয়েছিলেন ইয়েদুরাপ্পা। আপনাদের কি মনে হয় না, যে ওঁর মতো মহান মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত আমার? তাই করেছি আমি। কিন্তু তার পরেই জানিয়ে দিলেন সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাওয়া বিধায়কদের নিয়ে ওঁর কিছু যায় আসে না।’’ 

আরও পড়ুন: বিষাক্ত গ্যাস ছড়াচ্ছে পাকিস্তান! দিল্লির দূষণ নিয়ে অভিযোগ বিজেপি নেতার​

আরও পড়ুন: প্রেমিকের সঙ্গে সেলফি তোলার সময় কুয়োর পড়ে মৃত্যু যুবতীর!​

এইচডি কুমারস্বামী এবং কংগ্রেসের জোট সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণার আগে জেডিএস বিধায়ক ছিলেন নারায়ণ গৌড়া। জেডিএস-এর আর এক প্রাক্তন বিধায়ককেও টাকা দিয়ে ইয়েদুরাপ্পা দলে টেনেছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

কর্নাটকে নিজেদের সরকার গড়া থেকে বিরোধীদের বিধায়ক ভাঙানো, সবকিছু অমিত শাহের পরিকল্পনাতেই হয়েছিল বলে সম্প্রতি ইয়েদুরাপ্পার একটি অডিয়ো সামনে আসে, যার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি তিনি নিজেও। তার পরেই এই ঘটনা। তবে এখন পর্যন্ত এ নিয়ে বিজেপি এবং ইয়েদুরাপ্পার তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।