শিক্ষক ও অভিভাবকদের বৈঠক চলাকালীন স্কুলের মধ্যেই চার বছরের পড়ুয়াকে ধর্ষণ। পঞ্জাবের সাঙ্গরুর জেলার ধুরি শহরের একটি বেসরকারি স্কুলে এই ঘটনা ঘটেছে। তার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নেমেছেন এলাকার মানুষ। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শনিবার সকালে ওই স্কুলে অভিভাবক এবং শিক্ষকদের মধ্যে বৈঠক ছিল। তা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন শিশুটির মা। সেই সুযোগে শিশুটিকে ভুলিয়ে পার্কে নিয়ে যায় ২৭ বছর বয়সী স্কুলেরই এক অশিক্ষক কর্মী। পরে একটি ক্লাসরুমে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে সে।

বৈঠকে ব্যস্ত থাকায় কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি শিশুটির মা। বৈঠক শেষে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান তিনি। সন্ধ্যার দিকে মেয়ে তলপেটে ব্যথা করছে বলে জানালে স্থানীয় হাসপাতালে ছুটে যান তাঁরা। সেখানেই তার উপর যৌন নির্যাতন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন চিকিত্সকরা।

আরও পড়ুন: ব্যক্তিগত কাজে উত্তরপ্রদেশে, বাড়তি সময় চাইলেন রাজীব, ফের সমন পাঠানোর প্রস্তুতি সিবিআইয়ের​

বিষয়টি চাউর হতেই থানার বাইরে জড়ো হন ধুরির বাসিন্দারা। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তাঁদের হাতে তুলে দিতে হবে বলে দাবি করেন।তার পর রবিবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। সাঙ্গরুরের এসএসপি সন্দীপ কুমার গর্গ জানান, ‘‘অভিযুক্তকে তাঁদের হাতে তুলে দিতে হবে বলে দাবি করছিলেন বিক্ষোভকারীরা। কিন্তু তা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিয়েছি ওঁদের। আইন মেনেই সবকিছু হবে।’’

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে গুরু নানক প্যালেসের একাংশ ভেঙে জানলা-দরজা খুলে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা​

অন্য দিকে, এই ঘটনায় ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহের সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে শিরোমণি অকালি দল। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা একেবারেই ভেঙে পড়েে, তার জন্যই চার বছরের শিশুকন্যাও রেহাই পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন দলের সভাপতি সুখবীর সিংহ বাদল।