এ বছরেই ২ হাজার ৫০ বার সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। আর তাতে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। জানাল বিদেশ মন্ত্রক। সেই সঙ্গে পাকিস্তানকে সঙ্ঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন অবিলম্বে বন্ধ করতে বলল নয়াদিল্লি।

বিদেশমন্ত্রকের এক মুখপাত্র এ প্রসঙ্গে জানান, এর আগেও পাকিস্তানকে সংঘর্ষ বিরতি বন্ধ করার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ২০১৩-র সংঘর্ষবিরতি চুক্তি যেন তারা মেনে চলে। কিন্তু তার পরেও কোনও রকম প্ররোচনা ছাড়াই বার বার একই কাজ করে চলেছে পাকিস্তান। ওই মুখপাত্র আরও জানিয়েছেন, শুধু সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন নয়, জঙ্গি অনুপ্রবেশের মতো বিষয়গুলিকে পাকিস্তানের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

গত সপ্তাহেই কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্ন তুলে রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। এ বার ভারতও  সঙ্ঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের প্রসঙ্গ তুলে পাকিস্তানকে পাল্টা চাপে রাখার কৌশল নিল। ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার নিয়ে যখন আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান, ঠিক তার পরই কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ফের ভারতকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছে তারা। তবে ভারত সেই অভিযোগকে বার বারই খারিজ করেছে। পাল্টা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়েই এ বার পাকিস্তানকে বিঁধেছে তারা।  এ প্রসঙ্গে পাকিস্তানকে কটাক্ষও করেছে ভারত। বলেছে, যারা অন্য দেশের সংখ্যালঘুদের  মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, তারাই নিজের দেশে সেটা লঙ্ঘন করছে।

আরও পড়ুন: হিউস্টনে মোদীর সভায় আসতে পারেন ট্রাম্প, আলোচনা হতে পারে বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে

আরও পড়ুন: ভারতের সঙ্গে প্রথাগত লড়াইয়ে হারলে পরমাণু যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখছেন ইমরান