পঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলায় থাকেন যশবীর সিংহ। ৩৫ বছরের যশবীর বিবাহিত। তাঁর দু’টি সন্তানও রয়েছে। কিন্তু তিনি সব সময় বুঁদ থাকেন মাদকের নেশায়। নেশার সামগ্রী জোগাড়ের জন্য হাতে টাকা পয়সা না থাকলে বিক্রি করে দেন বাড়ির জিনিসপত্রও। তাঁর এই অত্যাচারে বিরক্ত বাড়ির লোকজন। বহু চেষ্টা করেও তাঁর বাবা-মা তাঁকে নেশা থেকে বিরত করতে পারেননি। নেশা থামাতে তাই যশবীরের বাবা-মা তাঁকে চেন দিয়ে আটকে রাখলেন।

যশবীরের বাবা কালা সিংহ এক সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, ‘‘আমার ছেলে মাদকে আসক্ত। নেশার জন্য বাড়ির জিনিসপত্রও বিক্রি করে দেয়।’’ তিনি জানিয়েছেন, তাঁর ছেলের মতো গ্রামের প্রায়  ৪০ জনেরও বেশি মাদকে আসক্ত।

নিজের মাদকে আসক্তির কথা স্বীকার করেছে যশবীরও। হতাশ হয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘নেশা ছাড়ার জন্য আমি সমস্ত রকম চেষ্টা চালিয়েছি। কিন্তু পারছি না। আমি প্রায় এক বছর ধরে মাদক নিচ্ছি।’’ 

আরও পড়ুন: গরু এ বার আইআইটির ক্লাসরুমে!

ওই অঞ্চলে ড্রাগের সরবরাহ বন্ধ করতে তৎপর হচ্ছে পুলিশ। পুলিশ অফিসার সতনাম সিংহ জানিয়েছেন, তাঁরা ড্রাগ সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘মাদক সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ওই জেলার পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্টকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’ 

আরও পড়ুন: সাশ্রয়ের আশায় জেনারেটর কার বন্ধ করছে রেল