সংশোধিত নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে ডাকা ১২ ঘণ্টার অসম বনধে মঙ্গলবার রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় ট্রেন রুখে দেন বিক্ষোভকারীরা। ভোর থেকেই তাঁদের রেল লাইনের ওপর বসে থাকতে দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত অসমের বিভিন্ন জায়গায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয় পুলিশ। শুধুই ট্রেন চলাচল নয়, ৪৬টি সংগঠনের ডাকা অসম বনধে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় টায়ার পুড়িয়ে যান চলাচল ব্যাহত করারও চেষ্টা চলে। কোথাও কোথাও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশি নিরাপত্তায় সরকারি বাস চালানো হয়। তবে গুয়াহাটি-সহ অসমের অনেক জায়গারই রাস্তাঘাট সকাল থেকে সুনসান ছিল। খোলেনি বাজার, দোকানপাটও।

অসমের নাগরিকত্ব বিলের সংশোধনীটি সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই পাশ করাতে চাইছে মোদী সরকার। তারই প্রতিবাদে কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি (কেএমএসএস), অসম জাতীয়তাবাদী যুব ছাত্র পরিষদ (এজেওয়াইসিপি)-সহ ৪৬টি সংগঠন এ দিন ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকে অসমে। তাতে কংগ্রেস এবং এআইএডিএফ-এর মতো রাজনৈতিক দলগুলিও সমর্থন জানায়।

বনধের মোকাবিলায় এ দিন অবশ্য ভোর থেকেই সক্রিয় ছিল রাজ্য প্রশাসন। বনধের জন্য যাতে স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালতে হাজিরায় ব্যাঘাত না ঘটে, বাজার, দোকানপাট খোলা থাকে, সে জন্য রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় ডেপুটি কমিশনাররা আগেভাগেই নির্দেশ জারি করেছিলেন। তবে সকালের দিকে অনেকেই হাঙ্গামার শঙ্কায় ঘর থেকে বেরতে চাননি বলে রাস্তাঘাট সুনসানই ছিল।

আরও পড়ুন- বন্‌ধ ব্যর্থ করতে মরিয়া সরকার​

আরও পড়ুন- ১৯৬৮ সালে এ দেশে চাকরি পেয়েও ‘বিদেশি’! অসমে আত্মঘাতী বাঙালি​