বিজেপির শরিক শিবসেনাকেই বিরোধী জোটে আহ্বান জানালেন শরদ পাওয়ার।

সদ্য-সমাপ্ত উপনির্বাচনে মহারাষ্ট্রের ভান্ডারা গোন্ডিয়া লোকসভা আসনটি বিজেপির থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে পওয়ারের দল এনসিপি। পালঘরে জেতে বিজেপি। পওয়ার আজ বলেন, পালঘরে অন্য দলগুলির মিলিত ভোট বিজেপির থেকে বেশি। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সমস্ত দলের উচিত, অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে একজোট হওয়া।

লোকসভা ভোটের আগে মোদীর তাস বুলেট ট্রেনেই ‘ব্রেক’ লাগাচ্ছে শিবসেনা। যে আদিবাসী-কৃষকেরা বুলেট ট্রেনের জন্য জমি দিতে চাইছেন না, তাঁদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছে উদ্ধব ঠাকরের দল। অনেক শরিকই ভোগাচ্ছে বিজেপিকে। বিহারে নীতীশ কুমার চাইছেন ‘বড় ভাই’
হয়ে থাকতে। রামবিলাস পাসোয়ান, উপেন্দ্র কুশওয়াহাও বেসুর গাইছেন। পঞ্জাবে অকালি বলছে, পরের ভোটে ‘দাদাগিরি’ চলবে না বিজেপির। কাশ্মীরে পিডিপি তো এমনিই খাপ্পা।

আরও পড়ুন: বৃদ্ধ নয়, নবীন-তন্ত্র বিরোধীদের

গত লোকসভায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর থেকে শরিকদের অবজ্ঞা করে এসেছেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ। অটলবিহারী বাজপেয়ীর জমানায় নিয়মিত এনডিএ-র বৈঠক হত। তা প্রায় উঠেই গিয়েছে। বিজেপি নেতারাই বলছেন, ‘‘এখন আগের মতো মোদী-হাওয়া নেই। একের পর এক উপনির্বাচনে হার হচ্ছে। টের পাওয়া যাচ্ছে, অবজ্ঞার জেরে চিড় ধরেছে শরিকদের সঙ্গে সম্পর্কে।’’