ভারতে বড় ধরনের নাশকতামূলক হামলার ছক কষছে পাকিস্তানজম্মু-কাশ্মীর নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে এমনই সতর্কবার্তা দিল গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা সূত্রে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, পাক সরকারের মদতে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গিরা। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নতুন করে জেগে উঠছে জঙ্গি শিবিরগুলিও। সাতটি লঞ্চপ্যাড-সহ সেখানে প্রায় ৩০০ জঙ্গি ওৎ পেতে রয়েছে। যাদের মধ্যে রয়েছে আফগান ও পশতু জিহাদিরাও। ভারতে অনুপ্রবেশের সুযোগ খুঁজছে তারা।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাকিস্তানি সেনা এবং সে দেশের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের তরফেই নিয়ন্ত্রণরেখায় লঞ্চপ্যাডগুলি ফের সক্রিয় করা হয়েছে। উত্তর  কাশ্মীরের গুরেজ সেক্টর হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে চাইছে জঙ্গিরা। গুরেজ সেক্টরের কাছে নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে ৮০ জন জঙ্গি অপেক্ষা করছে বলে খবর। মচ্ছলের কাছে ৬০ জন, কারনাহ-র কাছে ৫০ জন, কেরান সেক্টরের কাছে ৪০ জঙ্গি রয়েছে। উরি, নওগাম এবং রামপুর হয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছে যথাক্রমে ২০, ১৫ এবং ১০ জন জঙ্গি।

সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ হওয়ায় ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে কোণঠাসা পাকিস্তান। গত মাসেই তাদের কালো তালিকাভুক্ত করে আন্তর্জাতিক আর্থিক পর্যবেক্ষক সংস্থা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ)-এর এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ(এপিজি)। ইমরান খান সরকারকে এক মাস সময় দেয় তারা। তত দিনে সন্ত্রাস দমনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে না পারলে, পাকাপাকি ভাবে কালো তালিকাভুক্ত হয়েই থাকতে হবে তাদের।

আরও পড়ুন: নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই সোপোরে, গাড়ি চড়ে পালানোর সময় নিহত লস্কর জঙ্গি​

আরও পড়ুন: ডাকছে ইসরো, এখনও সাড়া নেই বিক্রমের​

বিষয়টি নিয়ে আগামী সোমবার থেকে ব্যাঙ্ককে চার দিন ব্যাপী বৈঠক শুরু হচ্ছে এফএটিএফ-এর। সেখানে সন্ত্রাস মোকাবিলা সংক্রান্ত পাকিস্তানকে ১২৫টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। ব্যাঙ্ককের বৈঠক মিটলে ১৬-১৮ অক্টোবর প্যারিসে এফএটিএফ-এর পর্যালোচনা বৈঠক হবে। সেখানেই স্থির হবে পাকিস্তানকে পাকাপাকি ভাবে কালো তালিকাভুক্ত করেই রাখা হবে কি না। তার মধ্যেই পাকিস্তান সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা।