এক হাতে স্টিয়ারিং, অন্য হাতে মোবাইল। ক্যামেরা চালু করা। স্পিডোমিটারে গাড়ির গতি ক্রমশ বাড়ছে, ৬০…৮০…১০০। তাতেও খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারেননি যুবক। অ্যাক্সেলেটরে আরও জোরে চাপ দিলেন। এ বার গাড়ির গতি উঠল ১২০-তে। দুরন্ত গতিতে ছুটতে থাকা সেই গাড়িতে বসেই রিল বানানো শুরু করেন। তার পরই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে কয়েক বার পাল্টি খেয়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক যুবকের। অন্য জনের মৃত্যু হয় হাসপাতালে। আরও এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ঘটনাটি গুজরাতের জেতপুরের। শনিবার রাতে অবধ তিওয়ারি নামে এক যুবক তাঁর বন্ধুর সঙ্গে গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, দুরন্ত গতিতে গাড়ি ছুটিয়ে, সেই গতির রিল বানাবেন। গাড়ি ছোটানো শুরু করলেন অবধ। পিছেনের আসনে বসে ছিলেন তাঁর বন্ধু দেবরাজ গোসাই এবং অক্ষয় প্রবীণভাই বাঘেলা। তাঁরা পিছনের আসনে বসে সেই দৃশ্যের লাইভস্ট্রিমিং করছিলেন। তার পর গাড়ি চালাতে চালাতেই অক্ষয় নিজের ফোন থেকে রিল বানানো শুরু করেন। ভিউ বৃদ্ধির জন্য লাইভস্ট্রিমিং শুরু করেন তিনিও। স্পিডোমিটারে ওঠা গাড়ির গতির ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। তার পর রিল বানাতে শুরু করেন। গাড়ি তখন ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে ছুটছিল। হঠাৎই তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। গাড়িটি ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে পাল্টি খায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অবধের। দেবরাজের মৃত্যু হয় হাসপাতালে। অক্ষয়ের অবস্থা সঙ্কটজনক।
পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয়েরা প্রথমে গাড়িটিকে দেখতে পান। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে গাড়ি থেকে তিন জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।