তিন রাজ্যে বিধানসভা ভোটে ভরাডুবি হয়েছে। এনডিএ সঙ্গীরা বেসুরো গাইতে শুরু করেছে। কিন্তু তার পরও গো-রাজনীতি থেকে সরছে না বিজেপি। বরং আরও এক ধাপ এগোলেন যোগী আদিত্যনাথ। এবার বেওয়ারিশ গরুদের ‘আশ্রয়স্থল’ তৈরির সিদ্ধান্ত নিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তার জন্য ধার্য করা হচ্ছে গো-কল্যাণ সেস। সেই সঙ্গে নির্মাণখাতে ১০০ কোটি টাকা স্থানীয় প্রশাসনগুলির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

সরকারি নাম ‘গোবংশ আশ্রয় স্থল’। সেখানে রাখা হবে রাস্তায় বেওয়ারিশ এবং ঘুরে বেড়ানো গরুদের। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই গো-আশ্রয়স্থল তৈরিতেই সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভা এলাকায় একটি করে এরকম আশ্রয় তৈরি করা হবে। গড়ে তোলা হবে ১০০০টি গরু রাখার মতো পরিকাঠামো।

একইসঙ্গে এই সরকারি গোশালা চালানোর খরচের বন্দোবস্তও করেছেন যোগী। সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, খরচের জন্য ২ শতাংশ গো-কল্যাণ সেস ধার্য করা হবে। বিভিন্ন লাভজনক সংস্থা, বাজার কমিটি-র আয়ের উপর এই কর ধার্য করা হবে। পাশাপাশি প্রাণীসম্পদ বিকাশ দফতরের সহায়তায় ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করবে এই ‘গোশালা’গুলি।

আরও পডু়ন: সব প্রশ্নের ‘খোলামেলা’ জবাব, ভোটের আগে নয়া অবতারে মোদী?

আরও পড়ুন: শবরীমালায় ইতিহাস! মন্দিরে প্রবেশ করলেন ৪০ বছরের দুই মহিলা

এক সপ্তাহ আগেই ভবঘুরে গরুদের দেখভালের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন যোগী। মুখ্যসচিবকে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে জমা দিতে এক সপ্তাহ সময় দেন। পাশপাশি গরুর খাবারের জন্য তৃণভূমি থেকে রক্ষা করতে জবরদখলদারদের তুলে দেওয়ার নির্দেশ এবং পরিচর্যার নির্দেশও দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সেই মতোই পরিকল্পনা গো-আশ্রয়স্থল তৈরির পরিকল্পনা হয় এবং তাতে সিলমোহর দিলেন যোগী।

(ভারতের রাজনীতি, ভারতের অর্থনীতি- সব গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদের দেশ মবিভাগে ক্লিক করুন।)