চাকরির খোঁজে এসে গণধর্ষণের শিকার হল এক কিশোরী। যে চাকরি দেবে বলেছিল, সে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। তার হাত থেকে যারা কিশোরীকে ‘বাঁচায়’, অভিযোগ, তারা ও তাদের বন্ধুরা মিলে ওই পার্কেই গণধর্ষণ করে কিশোরীকে। বুধবার নয়ডার ঘটনা।

বছর ষোলোর ওই কিশোরী জন্মের এক বছর পরেই বাবাকে হারায়। পাঁচ বোনের মধ্যে সে-ই সব থেকে ছোট। পাঁচ মেয়েকে নিয়ে কোনও রকমে সংসার চালান তাদের মা। কিশোরীর মা একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তিনি জানিয়েছেন, “আমরা খুবই গরিব। কোনও রকমে দিন গুজরান হয়। ছোট মেয়ে একটি প্যাকেজিং কম্পানিতে কাজ করত। কিন্তু রক্তাল্পতার জন্য দিন পনেরো কাজে যেতে পারেনি। ফলে চাকরি চলে যায়। এই কারণেই ফের চাকরি খুঁজতে শুরু করেছিল ও।”

কিশোরীর মায়ের দাবি, এই সময় অন্য একটি প্যাকেজিং কম্পানির কর্মী রবি তাকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। সেই বিষয়ে কথা বলার জন্য বুধবার নয়ডার সেক্টর ৬৩-তে ওই কিশোরীকে একটি পার্কে ডাকে রবি। সেখানে কিশোরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। কিশোরী বাধা দেওয়ার পরেও থামেনি অভিযুক্ত। এরপর চিত্কার শুরু করে ওই কিশোরী। তার চিত্কার শুনে পার্কেই উপস্থিত দুই যুবক সেখানে দৌড়ে এসে রবির হাত থেকে কিশোরীকে ‘উদ্ধার’ করে। রবিকে মেরে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয় তারা।

আরও পড়ুন: বিকিনি পরলেই বিনামূল্যে জ্বালানি, গ্যাস স্টেশনের ঘোষণায় কী হল দেখুন

কিন্তু এর পরই ওই কিশোরীর কপালে আসল দুর্ভোগ অপেক্ষা করছিল। এবার একা কিশোরীকে পেয়ে ওই দুই ‘উদ্ধারকারী’ যুবক তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এমনকি কিছু ক্ষণ পর তাদের আরও তিন বন্ধুকে সেখানে ডাকে, তারাও কিশোরীকে ধর্ষণ করে। যেখানে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, বাহোলোলপুর পুলিশ আউটপোস্ট সেখান থেকে মাত্র ৪০০ মিটার দূরে।

আরও পড়ুন: ডুবে মৃত্যু যুবকের, সাহায্যের বদলে বন্ধুরা ব্যস্ত তাঁর ভিডিয়ো তুলতে!

ঘটনাস্থল থেকে উঠে কোনও রকমে কাছের থানায় যায় ওই কিশোরী। সব ঘটনা জানার পর তত্পর হয় পুলিশ। পার্কে পৌঁছে চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। এখনও দুই অভিযুক্তের খোঁজ চলছে।