Advertisement
E-Paper

৯,৭৩,৪০১,০,০০,০০,০০ টাকা! ১০ দিনে আদানিদের ক্ষতি নির্মলার রেল বাজেটের চার গুণ

শেয়ার সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা ‘হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ’-এর রিপোর্টের জের। ১০ দিনে মোট ১১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ৪০১ কোটি টাকা) খোয়াল আদানি গোষ্ঠী।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৩:২৮
Adani Group loses 118 billion American dollars in last 10 days after Hindenburg report.
০১ / ২৩

আমেরিকার শেয়ার সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা ‘হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ’-এর রিপোর্টের জের। ১০ দিনে মোট ১১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ৪০১ কোটি টাকা) খোয়াল গৌতম আদানির মালিকাধীন আদানি গোষ্ঠী। সব মিলিয়ে গত এক সপ্তাহে আদানিদের ক্ষতির পরিমাণ আকাশছোঁয়া।

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ ।
Gautam Adani
০২ / ২৩

বাণিজ্য এবং অর্থনীতি বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ফরচুন’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার আগে আদানি গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংস্থাগুলির মোট সম্পত্তি ছিল ২১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। ১০ দিনে তা এসে ঠেকেছে ৯ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে।

ফাইল চিত্র।
Gautam Adani
০৩ / ২৩

অর্থাৎ, ১০ দিনে নিজের মোট সম্পদের ৫০ শতাংশেরও বেশি খুইয়েছেন আদানিরা। আর তার জেরে ভারত এবং এশিয়ার সব থেকে ধনী ব্যক্তি হওয়ার তকমাও হারিয়েছেন গৌতম।

ফাইল চিত্র।
Hindenburg Report.
০৪ / ২৩

হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের ভারে এক ধাক্কায় বিশ্বের সেরা ধনকুবেরের তালিকাতেও অবস্থান বিচ্যুতি হয়েছে গৌতমের। আমেরিকার এক পত্রিকা অনুযায়ী, শুক্রবার বিশ্বের সব থেকে ধনীদের তালিকায় ২২ নম্বরে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আদানি এই তালিকায় ছিলেন ১৬তম স্থানে।

ফাইল চিত্র।
Adani Group.
০৫ / ২৩

২৪ জানুয়ারি রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে হিন্ডেনবার্গ দাবি করেছে, এক দশক ধরে শেয়ারের দরে কারচুপি করে চলেছে আদানি গোষ্ঠী। আর সেই কারণেই নাকি আদানিদের এত রমরমা। আদানিদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপে‌র অভিযোগও আনে এই সংস্থা। হিন্ডেনবার্গের সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে আদানি গোষ্ঠী।

ফাইল চিত্র।
Hindenburg Report.
০৬ / ২৩

হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের জেরে কার্যত ধস নেমেছে আদানি গোষ্ঠীর ১০টি সংস্থার শেয়ারে। কোনও সংস্থার শেয়ারে ১৭ শতাংশ পতন হয়েছে, তো কোনও সংস্থার শেয়ার এক ধাক্কায় ৫১ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।

ফাইল চিত্র।
Union Budget 2023-24.
০৭ / ২৩

গত বুধবার চলতি অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের দিনেই নতুন শেয়ার ছাড়ার প্রক্রিয়া (এফপিও) বাতিল করে দেয় আদানি গোষ্ঠী। ২০ হাজার কোটি টাকার ওই এফপিও বাতিলের পর আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের দর আরও নেমে গিয়েছে।

ফাইল চিত্র।
Adani Total Gas.
০৮ / ২৩

হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট প্রকাশের প্রথম ৯ দিনের হিসাব অনুযায়ী শেয়ার বাজারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ‘আদানি টোটাল গ্যাস’-এর। সেই সংস্থার শেয়ার দর কমেছে ৫১ শতাংশ।

ফাইল চিত্র।
Adani Enterprises.
০৯ / ২৩

১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘আদানি এন্টারপ্রাইসেস’-এর শেয়ারের দাম ৩৮ শতাংশ কমেছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪ লক্ষ কোটি টাকা। ‘আদানি ট্রান্সমিশন’ ক্ষতির নিরিখে তৃতীয় স্থানে। গত ৯ দিনে শেয়ারের দাম ৩৭ শতাংশ কমেছে এই সংস্থার। প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি।

ফাইল চিত্র।
Adani Green Energy.
১০ / ২৩

তালিকায় এর পরেই রয়েছে ‘আদানি গ্রিন এনার্জি’। এই সংস্থার শেয়ারের দাম ৪০ শতাংশ কমেছে। শেষ ৯ দিনে ‘আদানি পোর্টস অ্যান্ড সেজ়’-এর শেয়ার পড়েছে ৩৫ শতাংশ।

ফাইল চিত্র।
Adani Power.
১১ / ২৩

‘আদানি পাওয়ার’-এর ক্ষতির পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকার কিছু বেশি। এই সংস্থার শেয়ারের দাম গত ৯ দিনে ২৩ শতাংশ কমেছে। তালিকায় রয়েছে ‘অম্বুজা সিমেন্টস’ এবং ‘আদানি উইলমার’-ও। ২৪ জানুয়ারির পর থেকে ‘অম্বুজা সিমেন্টস’-এর শেয়ারের দাম প্রায় ৩৩ শতাংশ কমেছে। ‘আদানি উইলমার’-এর শেয়ারে পতন হয়েছে ২৩ শতাংশ।

ফাইল চিত্র।
Adani Media.
১২ / ২৩

শেয়ারে ক্ষতির মুখে রয়েছে আদানিদের সদ্য মালিকানা পাওয়া সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিও। শেষ ৯ দিনে তাদের শেয়ারের দাম ১৭ শতাংশ কমেছে।

ফাইল চিত্র।
Adani Group.
১৩ / ২৩

কিন্তু আদানি গোষ্ঠী যে এই পরিস্থিতির মুখে পড়তে চলেছে, সেই ‘অশনি সঙ্কেত’ অনেক আগেই দিয়েছিল অন্য এক সংস্থার রিপোর্ট।

প্রতীকী ছবি।
Mukesh Ambani.
১৪ / ২৩

গত বছরের অগস্ট মাস নাগাদ ব্যবসায় পাল্লা দিয়ে মুকেশ অম্বানীকে টপকে দেশের সব থেকে ধনী ব্যক্তির তকমা পেয়েছিলেন গৌতম। কিন্তু তখনই ‘ক্রেডিট সাইট’-এর এক সমীক্ষায় উঠে আসে চমকে দেওয়া তথ্য।

ফাইল চিত্র।
Share Market.
১৫ / ২৩

‘ক্রেডিট সাইট’-এর ওই সমীক্ষার দাবি ছিল, আদানি গোষ্ঠীর সাফল্যের চাকচিক্যের পিছনে রয়েছে পাহাড়প্রমাণ ঋণের বোঝা। আদানির ঋণের পরিমাণ সেই সময়ই প্রায় ২.২২ লক্ষ কোটি টাকা হয়ে গিয়েছিল বলেও সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছিল।

প্রতীকী ছবি।
Credit Site Report.
১৬ / ২৩

ওই সমীক্ষায় জানানো হয়, গত বছর বিশ্ব বাজারে আদানির ঋণের পরিমাণ ছিল ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা। এক বছরে এই ঋণের পরিমাণ তো কমেইনি, উল্টে ৪২ শতাংশ বেড়ে ২.২২ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। এই ঋণের ভার মারাত্মক হতে পারে বলেও সমীক্ষায় প্রকাশ পেয়েছিল।

প্রতীকী ছবি।
Adani Group.
১৭ / ২৩

বিদেশি আর্থিক লগ্নি সংক্রান্ত পরামর্শদাতা সংস্থা ‘ক্রেডিট সাইট’-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, আদানি গোষ্ঠীর ব্যবসার বাড়বাড়ন্তের পিছনে রয়েছে ব্যাপক আর্থিক দেনা। এই দেনার কারণে আদানি গোষ্ঠীকে বিপদে পড়তে হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয় সমীক্ষায়।

ফাইল চিত্র।
Gautam Adani.
১৮ / ২৩

বিভিন্ন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে পা বাড়িয়ে আদানি গোষ্ঠী পৌঁছে গিয়েছে তাপবিদ্যুৎ এবং গ্রিন এনার্জিতেও। আদানির এই রমরমা দেশ-বিদেশের খ্যাতনামী ব্যবসায়ী সংস্থারও নজর কেড়েছে। কিন্তু ‘ক্রেডিট সাইট’-এর ওই সমীক্ষা অনুযায়ী, ব্যবসা বৃদ্ধি করতে আদানি গোষ্ঠী যে ঋণ নিয়েছে, তাতে বড় বিপদে পড়তে পারে সংস্থা।

ফাইল চিত্র।
Gautam Adani.
১৯ / ২৩

সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছিল, আদানির বিদেশি মুদ্রায় নেওয়া ঋণের পরিমাণও অনেক। সেই সময় এই খবরও ছড়িয়ে পড়ে যে, বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (এসবিআই) কাছ থেকে নতুন করে প্রায় ১৪ হাজার কোটির ঋণ নেওয়ার আবেদন করেছেন আদানি। এই নতুন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে গ্রিন এনার্জি সংক্রান্ত ব্যবসাও। এর ফলে ঋণের বোঝা আরও বাড়তে পারে বলেও দাবি করা হয়েছিল।

ফাইল চিত্র।
SBI-LIC.
২০ / ২৩

যদিও এলআইসি এবং এসবিআই— উভয় সংস্থা সম্প্রতি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে যে, আদানিদের শেয়ার বাজারে পতনের আঁচ তাদের গায়ে এসে লাগেনি। সংস্থাগুলির লাভেও প্রভাব পড়েনি বলেই জানানো হয়েছিল।

ফাইল চিত্র।
Hindenburg Report.
২১ / ২৩

হিন্ডেনবার্গের আনা অভিযোগে কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আদানিরা? আদানিদের পাল্টা অভিযোগ, হিন্ডেনবার্গ স্বল্পমেয়াদি মুনাফার জন্য রিপোর্ট তৈরি করেছে। এই রিপোর্ট ভারতের অগ্রগতিকে রোখার চক্রান্ত বলেও দাবি করে আদানি গোষ্ঠী। এই আক্রমণাত্মক বিবৃতি সত্ত্বেও অবশ্য হাল ফেরেনি। উপরন্তু, হিন্ডেনবার্গের পাল্টা দাবি, জাতীয়তাবাদের আড়ালে প্রতারণা ঢাকা দেওয়া যায় না।

ফাইল চিত্র।
Money Laundering.
২২ / ২৩

আদানিরাই প্রথম নয়। ২০১৭ সাল থেকে কমপক্ষে ১৬টি আলাদা আলাদা গোষ্ঠী এবং সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের বা ব্যবসায় নিয়মবিরুদ্ধ কাজ করার রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনেছে।

ফাইল চিত্র।
Hindenburg Research Report.
২৩ / ২৩

২০২০ সালের বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা নিকোলার বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ আনে হিন্ডেনবার্গ। নিকোলার প্রতিষ্ঠাতা ট্রেভর মিল্টন দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সেই সংস্থা দেউলিয়া হয়ে যায়।

ফাইল চিত্র।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy