ছেড়ে দেন মোটা বেতনের চাকরি, নায়িকার হুবহু হিসাবে প্রচারে, কী করেন ‘পাকিস্তানের ঐশ্বর্যা’?
পাকিস্তানে স্কুল এবং কলেজের পড়াশোনা শেষ করেন কনওয়াল। কলেজের পড়াশোনা শেষ করে পাকিস্তানের একটি সংস্থায় চাকরি শুরু করেন তিনি।
অভিনয় থেকে শতহস্ত থেকে দূরে। ভারতেও থাকেন না। তবে তাঁর সঙ্গে মিল রয়েছে বলি অভিনেত্রী ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনের। এক নজরে দেখলে মনে হয়, তরুণী যেন হুবহু ঐশ্বর্যা। কী করেন কনওয়াল চীমা?
পাকিস্তানের ইসলামাবাদে জন্ম কনওয়ালের। জন্মের পর কনওয়ালের বাবা-মা তাঁকে নিয়ে সৌদি আরবের রিয়াধে চলে যান। সেখানেই শৈশবের অধিকাংশ সময় কাটান কনওয়াল।
রিয়াধের একটি স্কুলে ভর্তি করানো হয় কনওয়ালকে। সেখানে দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। তার পর আবার পরিবারসমেত পাকিস্তানে ফিরে যান।
পাকিস্তানে ফিরে গিয়ে স্কুল এবং কলেজের পড়াশোনা শেষ করেন কনওয়াল। কলেজের পড়াশোনা শেষ করে পাকিস্তানের একটি সংস্থায় চাকরি শুরু করেন তিনি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পাকিস্তানের সংস্থায় চাকরি করে প্রচুর পারিশ্রমিক পেতেন কনওয়াল। সেই সংস্থার বাজারমূল্য ভারতীয় মুদ্রায় ১৭ কোটি ৩৮ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন:
কিন্তু চাকরি করে মানসিক শান্তি পাচ্ছিলেন না কনওয়াল। নিজের পরিচিতি তৈরি করতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই মোটা বেতনের চাকরি ছেড়ে দেন।
চাকরি ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন কনওয়াল। এই পথের চ়ড়াই-উতরাইয়ে কনওয়ালের হাত শক্ত করে ধরেছিলেন তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যেরা।
ব্যবসার পাশাপাশি সমাজসেবার কাজের সঙ্গেও যুক্ত কনওয়াল। পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় সমাজসেবামূলক প্রচারানুষ্ঠানের আয়োজন করতেন তিনি।
কনওয়াল নিজেও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়ে তোলেন। সেই সংস্থার সিইও পদে রয়েছেন তিনি। এই প্রযুক্তি সংস্থার মাধ্যমে দুঃস্থদের সাহায্য করা হয়।
আরও পড়ুন:
বক্তা হিসাবে জনপ্রিয়তা পান কনওয়াল। সমাজসেবার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে দেখা যায় তাঁকে। তবে পাকিস্তানের এই তরুণী আরও একটি কারণে প্রচারের আলোয় এসেছেন।
বলি নায়িকা ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনের সঙ্গে কনওয়ালের মুখের প্রচুর সাদৃশ্য রয়েছে। চোখ-নাক-মুখ দেখলে মনে হয় তিনি যেন হুবহু ঐশ্বর্যা। তবে এই কথা শুনতে একদম পছন্দ করেন না কনওয়াল।
এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বর্যার সঙ্গে সাদৃশ্যের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে কনওয়াল অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘‘আপনি তো আমার বক্তৃতা শোনেন। আমি কার মতো দেখতে সেটা আমার পরিচয় হওয়া উচিত নয়। আমার কর্মই আমার পরিচয় বহন করবে।’’
‘পাকিস্তানের ঐশ্বর্যা’ হিসাবে তকমা পেয়েছেন কনওয়াল। তবে সেই তকমা পেয়ে কখনওই আনন্দ প্রকাশ করেননি তিনি।
সমাজমাধ্যমে কনওয়ালের অনুগামীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। ইতিমধ্যে ইনস্টাগ্রামের তাঁর অনুগামীর সংখ্যা ৮৬ হাজারের গণ্ডি পার করে ফেলেছে।